প্রীতির পদত্যাগ

পার্লামেন্টের এক সূত্রের মতে, বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে অস্বস্তিতে রয়েছেন বিদেশমন্ত্রী বরিস জনসনও। সব মিলিয়ে বেশ চাপে রয়েছে টেরেসা মে-র সরকার।

Advertisement

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ১০ নভেম্বর ২০১৭ ০১:৩৩
Share:

প্রীতি পটেল

বুধবার সকাল থেকেই প্রীতি পটেলকে নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়েছিল ব্রিটিশ পার্লামেন্টের আনাচে কানাচে। সব জল্পনা সত্যি করে রাতেই পদত্যাগ পত্র দেন ব্রিটিশ বিদেশ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী, ভারতীয় বংশোদ্ভুত প্রীতি পটেল। বৃহস্পতিবার তাঁর জায়গায় এলেন ৪৪ বছর বয়সি ব্রেক্সিটপন্থী কনজারভেটিভ এমপি পেনি মরদোঁ। পেনশন দফতরের দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

Advertisement

এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় উইকেট পড়ল ব্রিটিশ সরকারের। যৌন হেনস্থার অভিযোগে গত বুধবারই পদত্যাগ করেছিলেন ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা সচিব মাইকেল ফ্যালন। সাত দিন যেতে না যেতেই মন্ত্রিত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন প্রীতি। পার্লামেন্টের এক সূত্রের মতে, বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে অস্বস্তিতে রয়েছেন বিদেশমন্ত্রী বরিস জনসনও। সব মিলিয়ে বেশ চাপে রয়েছে টেরেসা মে-র সরকার।

জুলাই মাসে পরিবারের সঙ্গে ইজরায়েল ভ্রমণে গিয়ে গোপনে সে দেশের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে ১২টি বৈঠক করার অভিযোগ উঠেছিল প্রীতির বিরুদ্ধে। সংবাদমাধ্যমের দৌলতে সেই খবর সামনে আসার পরে সোমবার প্রকাশ্যে ভুল স্বীকার করেন প্রীতি। এর পরেই ফের অভিযোগ ওঠে, সেপ্টেম্বর মাসে এমন আরও দু’টি বৈঠকের কথা। সেপ্টেম্বরের বৈঠক দু’টির কথা বেমালুম চেপে গিয়েছিলেন প্রীতি।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement