হেট-টুইট প্রতি মুসলিম মহিলার দান ১ ডলার

প্রতিটি হেট-টুইটের বদলে দান করবেন এক ডলার, এমনটাই প্রতিজ্ঞা ছিল তাঁর। সে কথা রেখেছেন তিনি। ঘৃণাভরা টুইটের পরিবর্তে এখনও পর্যন্ত ইউনিসেফ-এ এক হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার দান করেছেন সুজান কারল্যান্ড। মেলবোর্নের মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সুজান মুসলিম ধর্মাবলম্বী। কিন্তু, ধর্মবিশ্বাসকে ছাপিয়ে গিয়েছে তাঁর উদার মনোভাব। ঘৃণার পরিবর্তে ঘৃণা নয়, বরং বাচ্চাদের জন্য কিছু করার তাগিদে তিনি অর্থসাহায্যের পথ বেছে নিয়েছেন।

Advertisement

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ১৬ নভেম্বর ২০১৫ ২৩:১৭
Share:

প্রতিটি হেট-টুইটের বদলে দান করবেন এক ডলার, এমনটাই প্রতিজ্ঞা ছিল তাঁর। সে কথা রেখেছেন তিনি। ঘৃণাভরা টুইটের পরিবর্তে এখনও পর্যন্ত ইউনিসেফ-এ এক হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার দান করেছেন সুজান কারল্যান্ড। মেলবোর্নের মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সুজান মুসলিম ধর্মাবলম্বী। কিন্তু, ধর্মবিশ্বাসকে ছাপিয়ে গিয়েছে তাঁর উদার মনোভাব। ঘৃণার পরিবর্তে ঘৃণা নয়, বরং বাচ্চাদের জন্য কিছু করার তাগিদে তিনি অর্থসাহায্যের পথ বেছে নিয়েছেন।

Advertisement

গত ২২ অক্টোবর টুইটে সুজান জানিয়েছিলেন, প্রতিটি হেট-টুইটের বদলে এক ডলার করে ইউনিসেফ-এ জমা করবেন। আর এক হাজার ডলার দানের পর সোমবার সুজানের টুইট, “দ্য নিডি চিলড্রেন থ্যাঙ্ক ইউ, হেটারস!”

সুজানের দাবি, সোশ্যাল মিডিয়ায় মুসলিমদের প্রতি বিদ্বেষমূলক মনোভাবটা যেন একটু বেশি। আর তাই পোশাক নিয়ে কটূক্তি করা শুরু করে তাঁদের ‘জেহাদি’ বলতেও বাধে না অধিকাংশ মানুষের।

Advertisement

তিনি জানিয়েছেন, গত কিছু দিন ধরেই এ ধরনের ঘৃণাভরা টুইট পাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু, তাতে বিশেষ উদ্বিগ্ন না হলেও এক সময় তা ব্লক করতে শুরু করেন তিনি। মাস কয়েক আগে তিনি ঠিক করেন, আর নয়, এর একটা বিহিত করতে হবে। আর বিহিত তিনি করেন ‘ইসলামে’র মূল নীতি মেনেই। সুজানের কথায়, “আলোর মাধ্যমে অন্ধকারকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার উল্লেখ করা হয়েছে কোরানে। এটা মনে হয়েছিল, আমার দিকে ধেয়ে আসার প্রতিটি কদর্য শব্দ-বুলেটের বদলে এ বিশ্বকে কিছু সুন্দর ফিরিয়ে দেওয়া।” আর সেটাই তিনি করেছেন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement