কিং জম উন। ছবি: রয়টার্স।
নতুন সমরাস্ত্রের প্রদর্শন হল উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ঙে। এই প্রদর্শনীর পরই সে দেশের প্রশাসক কিং জং ইঙ্গিত দিলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার বিস্তীর্ণ অংশ এখন নাগালের মধ্যেই। নতুন যে সমরাস্ত্রের পরীক্ষা করা হয়েছে সম্প্রতি, সেটি দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সোলকে আনায়াসে নিশ্চিহ্ন করে দিতে সক্ষম বলেও দাবি পিয়ংইয়ঙের।
শুক্রবার সমরাস্ত্রের মহড়া হয় পিয়ংইয়ঙে। সেখানে হাজির ছিলেন প্রশাসক কিম। সেখানেই ক্ষেপণাস্ত্র, দূরপাল্লার রকেট লঞ্চার-সহ বেশ কিছু সমরাস্ত্রের প্রদর্শনী হয়। পশ্চিম এশিয়ায় যখন সামরিক সংঘাত চরমে, সেই সময়েও অস্ত্রভান্ডারের শক্তি প্রদর্শন করেছিল উত্তর কোরিয়া। তবে সম্প্রতি একটি নতুন কামান মোতায়েন করেছে তারা। যেটি ৬০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুকে অনায়াসে ধ্বংস করতে পারে।
সে দেশের সরকারি সংবাদপত্র কেসিএনএ জানিয়েছে, গত বুধবার কিম জং একটি অস্ত্র কারখানা পরিদর্শনে যান। সেখানে ১৫৫ মিলিমিটার স্বয়ংক্রিয় হাউয়িৎজ়ার কামান পরীক্ষা করে দেখেন। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই কামানকে এ বছরেই উত্তর কোরিয়ার দক্ষিণ সীমান্তে মোতায়েন করা হবে। যেখান থেকে রাজধানী সোল একেবারে নাগালের মধ্যে।
প্রসঙ্গত, গত ফেব্রুয়ারিতেই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণকারী শক্তিশালী যন্ত্রের পরীক্ষা করেছিল উত্তর কোরিয়া। সে দেশের সরকারি সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ দাবি করে, নতুন এই যন্ত্রটির নিক্ষেপ ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। আগে ছিল ১৯৭১ কিলোটন। এখন সেটির ক্ষমতা বাড়িয়ে ২৫০০ কিলোটন করা হয়েছে। যা গোটা বিশ্বের নজর কেড়েছে। জানুয়ারিতেও নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের প্রদর্শনী করে তারা। সাবমেরিন লঞ্চড ব্যালিস্টিক মিসাইল (এসএলবিএম)-এর প্রদর্শনী হয়। রাজধানী পিয়ংইয়ং-এর সান স্কোয়ারে এই প্রদর্শনীতে দেখা গিয়েছিল কিম জং-কেও।