বৈঠকে আলোচনার বিষয় নিয়ে ঢাকা বা ইসলামাবাদ প্রকাশ্যে মুখ খুলছে না । —প্রতীকী চিত্র।
বাংলাদেশে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তিকালীন সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর থেকেই ঢাকা-ইসলামাবাদের নৈকট্য বাড়ছে। দিনদুয়েক আগে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অধিকর্তার সঙ্গে বৈঠক করেছেন, ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্তানের ভারপ্রাপ্ত হাই কমিশনারমুহাম্মদ ওয়াসিফ। বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, তা নিয়ে মুখ খোলেনি কোনও পক্ষই।
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত রবিবার ওয়াসিফ বৈঠক করেন ওই বিমানবন্দরের অধিকর্তা এস এম রাগিব সামাদের সঙ্গে। স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টা থেকে শুরু হওয়া বৈঠক এক ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলেছিল। সূত্রের খবর,ওই বৈঠকে বিমানবন্দরের পরিকাঠামো, দ্বিপাক্ষিক প্রোটোকল এবং ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু কোনও পক্ষই বৈঠকে কী আলোচনাহয়েছে, তা নিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু জানায়নি। হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরের একটি সূত্রের মতে, বৈঠকে বিমান চলাচল সংক্রান্ত যে কোনও অগ্রগতির উপরে বিশেষ পর্যবেক্ষণের বিষয়টি বিশেষগুরুত্ব পেয়েছে।
ইউসূন প্রশাসন দেশের দায়িত্ব নেওয়ার পরে পাকিস্তান থেকে পণ্যবাহী জাহাজ বাংলাদেশে যেতে শুরু করেছে। ঢাকা আগেই জানিয়ে দিয়েছিল, ইসলামাবাদের সঙ্গে সরকারি বিমান পরিষেবাও শুরু করতে চায় তারা।
কূটনীতিকদের একাংশের অনুমান, সামাদ-ওয়াসিফ বৈঠকে সরকারি বিমান পরিষেবা চালু নিয়ে আলোচনা হতে থাকতে পারে। কিন্তু প্রশ্ন হল, তাই যদি হয়, সে ক্ষেত্রেবৈঠক নিয়ে এত গোপনীয়তা কেন? কেনই বা বৈঠকে আলোচনার বিষয় নিয়ে ঢাকা বা ইসলামাবাদ প্রকাশ্যে মুখ খুলছে না ।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে