Murder Case

নাহিদার শেষকৃত্য পৈতৃক ভিটেতেই

গত ৪ মে বাংলাদেশে পৌঁছেছিল, আমেরিকায় পাঠরত আর এক পিএইচ ডি পড়ুয়া তথা নাহিদার ‘বন্ধু’ জামিল আহমেদ লিমনের মৃতদেহ। আমেরিকার সাউথ ফ্লরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই পিএইচ ডি পড়ুয়া জামিল এবং নাহিদা গত ১৬ এপ্রিল খুন হয়েছিলেন।

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ১০ মে ২০২৬ ০৯:২৪
Share:

— প্রতীকী চিত্র।

অবশেষে দেশে এসে পৌঁছল আমেরিকায় নিহত পিএইচ ডি পড়ুয়া নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির দেহাংশ। আজ সকাল ৯.১৫ নাগাদ ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছয় তাঁর দেহ। বিমানবন্দরে তাঁর দেহটি গ্রহণ করেন, নাহিদার বাবা এবং মা-সহ তাঁর পরিবারের বাকি সদস্যরা। নাহিদার আদি বাড়ি মাদারীপুরের সদর উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নের চর গোবিন্দপুরে। এ দিন বিকেল নাগাদ সেখানে দাদু-ঠাকুমার কবরের পাশেই সমাহিত করা হয় নাহিদাকে।

গত ৪ মে বাংলাদেশে পৌঁছেছিল, আমেরিকায় পাঠরত আর এক পিএইচ ডি পড়ুয়া তথা নাহিদার ‘বন্ধু’ জামিল আহমেদ লিমনের মৃতদেহ। আমেরিকার সাউথ ফ্লরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই পিএইচ ডি পড়ুয়া জামিল এবং নাহিদা গত ১৬ এপ্রিল খুন হয়েছিলেন।

গত ১৬ এপ্রিল সাউথ ফ্লরিডা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর থেকে হঠাৎই উধাও হয়ে গিয়েছিলেন সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই বাংলাদেশি পিএইচ ডি পড়ুয়া জামিল আহমেদ লিমন এবং নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি। তদন্তে নেমেছিল ফ্লরিডার শহরের পুলিশ। তদন্তে নেমে হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের (পুলিশ) তরফে জামিলের অ্যাপার্টমেন্টে তল্লাশি চালালে, সেখানে মেলে রক্তের চিহ্ন। এতেই সামনে আসে তাঁকে খুনের তত্ত্ব। এর পরে জামিলের অ্যাপার্টমেন্টের দুই রুমমেটকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। এ ক্ষেত্রে এক রুমমেট পুলিশকে সহযোগিতা করলেও, দ্বিতীয় জন তথা বছর ছাব্বিশের হিশাম সালেহ আবুঘারবিয়েহের বয়ানে পুলিশের সন্দেহ বাড়ে। এর পরেই হিশামের পারিবারিক বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশের বিশেষ বাহিনী। জানা যায়, ব্যক্তিগত রাগের কারণেই জামিল এবং নাহিদাকে খুন করেছিল হিশাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই পড়ুয়া নিহত হওয়ার পর, তাঁদের সাম্মানিক ডক্টরেট দিয়েছে সাউথ ফ্লরিডা বিশ্ববিদ্যালয়।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন