ভেঙে পড়ার পরেই আগুন ধরে যায় বায়ুসেনার বিমানটিতে। সোমবার কলম্বিয়ায়। ছবি: রয়টার্স।
রানওয়ে ছেড়ে মাত্র দেড় কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়ার পরেই কলম্বিয়ায় ভেঙে পড়ল বায়ুসেনার একটি বিমান। সোমবারের (স্থানীয় সময় অনুসারে) এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ৬৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। বিমানটিতে ছিলেন মোট ১২৫ জন। তাই হতাহতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
কলম্বিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেড্রো স্যাঞ্চেজ় জানিয়েছেন, বায়ুসেনার ওই বিমান হারকিউলিস সি-১৩০ পেরু সীমান্ত লাগোয়া পুয়ের্তো লেগুইজ়ামো থেকে উড়েছিল। বিমানটি ওড়ার কিছু ক্ষণের মধ্যেই ভেঙে পড়ে। বায়ুসেনার বিমানটিতে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের অধিকাংশই কলম্বিয়ার সেনা। তাঁদের এক স্থান থেকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে জানিয়েছেন কলম্বিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী। বিমানে প্রচুর অস্ত্রশস্ত্রও ছিল। বিমানটি ভেঙে পড়ার পরেই সেগুলিতে আগুন ধরে যায়।
কী কারণে বিমানটি ভেঙে পড়ল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত যে, কারও হামলায় বিমানটি ভেঙে পড়েনি। আবার এখনও পর্যন্ত যান্ত্রিক গোলযোগের কথাও স্বীকার করেনি কলম্বিয়া প্রশাসন। বিমানটি যাঁরা চালাচ্ছিলেন, তাঁরা যথেষ্ট দক্ষ বলে জানা গিয়েছে। সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, বিমানটি ভেঙে পড়ার পরেই আগুন ধরে যাচ্ছে তাতে। আগুন নেবানোর পর উদ্ধারকাজ শুরু হয়। এখনও পর্যন্ত ৫৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। বিমানে ছিলেন ১১৪ জন যাত্রী এবং ১১ জন বিমানকর্মী। বিমানটির প্রস্তুতকারক সংস্থা ‘লকহিড মার্টিন’ এই ঘটনায় শোকজ্ঞাপন করেছে এবং তদন্তে সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছে।