Hantavirus

এগোচ্ছে জাহাজ, সঙ্গে দ্রুত ছড়াচ্ছে ভাইরাস-উদ্বেগও

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) মহামারি ও অতিমারি বিভাগের ডিরেক্টর মাকিয়া ফন কেরখোডে ইতিমধ্যেই আশ্বাস দিয়েছেন, হান্টা ভাইরাস করোনা ভাইরাসের মতো কিছু নয়। ফলে সংক্রমণের মাত্রা তার ধারেপাশে যাওয়ার কোনও কারণ নেই।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ১০ মে ২০২৬ ০৯:১৮
Share:

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

স্পেনের টেনেরিফ বন্দরের দিকে এগোচ্ছে এমভি হান্ডিয়াস প্রমোদতরী। রবিবার সকালে তার সেখানে পৌঁছনোর কথা। সময় যত গড়াচ্ছে ততই উদ্বেগ ছড়াচ্ছে ক্যানারি দ্বীপে। সেই সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন কোণেও। কারণ, কেপ ভার্দে থেকে রওনা হওয়া ওই জাহাজের কয়েক জন যাত্রী হান্টা ভাইরাসের সংক্রমণে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তিন জনকে জাহাজ থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হলেও আতঙ্ক যায়নি। বরং স্পেনের বন্দরের কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। তাঁদের দাবি, জাহাজটিকে যদি নোঙর ফেলতে দেওয়া হয়, তা হলেও সুরক্ষা সংক্রান্ত পরিকল্পনা তাঁদের কাছে স্পষ্ট করুক সরকার। না হলে কাজে ইস্তফা দিতে বাধ্য হবেন তাঁরা। হুঁশিয়ারি দিয়েছে কর্মী ইউনিয়ন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) মহামারি ও অতিমারি বিভাগের ডিরেক্টর মাকিয়া ফন কেরখোডে ইতিমধ্যেই আশ্বাস দিয়েছেন, হান্টা ভাইরাস করোনা ভাইরাসের মতো কিছু নয়। ফলে সংক্রমণের মাত্রা তার ধারেপাশে যাওয়ার কোনও কারণ নেই। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তাঁরা বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন।

এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘এটা কোভিডের মতো দ্রুত ছড়ায় না। তবে আমরা বিষয়টির উপরে টানা নজর রেখেছি। দক্ষ বিশেষজ্ঞেরা এর দায়িত্বে আছেন। তাঁরা পরিস্থিতির উপরে কড়া নজর রাখছেন।’’

হু-এর ডিরেক্টর জেনারেল টেড্রস আদানোম গেব্রিয়াসাস স্পেনে পৌঁছে গিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, জাহাজ থেকে যাত্রীদের বার করে নিয়ে আসার ব্যবস্থাপনা নিজে তত্ত্বাবধান করবেন। সরকারের পক্ষ থেকেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, জাহাজটি সরাসরি টেনেরিফ বন্দরে আসছে না। দাঁড়াবে তার অদূরে। সেখান থেকে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় স্পেনের নাগরিকদের মূল ভূখণ্ডে নিয়ে এসে নিভৃতবাসে রাখা হবে। অন্য দেশের নাগরিকদের ফেরানো হবে তাঁদের দেশে।

এরই মধ্যে বন্দরের কর্মীরা ক্যানারি দ্বীপে বিক্ষোভ শুরু করেছেন। হাতে ব্যানার, মুখে বাঁশি ও ভুভুজেলা নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন তাঁরা। কর্মী সংগঠনের নেত্রী জোয়ানা বাতিস্তা বলছেন, ‘‘সংক্রমিত যাত্রিবাহী একটি জাহাজ আসছে। এ দিকে সুরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়াই কর্মীরা কাজ করে চলেছেন। আমরা ক্ষুব্ধ। জাহাজ আসতেই পারে। কিন্তু সুরক্ষা ব্যবস্থা পাকাপোক্ত করা হোক। স্থানীয় বাসিন্দাদেরও সব কিছু খুলে বলা হোক।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন