Emine Erdogan

আর্থিক সঙ্কটে দেশ, ফার্স্ট লেডির হাতে দুর্মূল্য ব্যাগ

পণ্যের ঊর্ধ্বমুখী দামের জেরে নাভিশ্বাস সাধারণ মানুষের। সেই অবস্থায় রাজপ্রাসাদ বিলাসব্যসন ও শ‌ৌখিনতা থেকে দূরে থাকতে পারছে না! প্রশ্ন উঠেছে তুরস্কের প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমে।

Advertisement

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ০৩ জুলাই ২০১৯ ১৭:৩১
Share:

বহমূল্য হাতব্য়াগ নিয়ে সমালোচিত তুরস্কের ফার্স্ট লেডি। ছবি: সংবাদ সংস্থা

রোম যখন পুড়ছিল, বাঁশি বাজাচ্ছিলেন নিরো। দেশ আর্থিক মন্দার বিরুদ্ধে যুঝছে, ফার্স্ট লেডি ঘুরছেন দুর্মূল্য হাতব্যাগ নিয়ে। কাঠগড়ায় তুরস্কের ফার্স্ট লেডি এমাইন এর্ডোগান। সম্প্রতি সস্ত্রীক জাপান সফরে গিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়িপ এর্ডোগান। সেখানেই এমাইনকে স্বামীর পাশে দেখা যায় বহুমূল্য ব্যাগ হাতে। টোকিওর রাজপ্রাসাদে প্রবেশের সময় এমাইনের ছবি নজর এড়ায়নি নেটিজেনদের। মুহূর্তের মধ্যে তা চলে আসে বিতর্কের কেন্দ্রে। জানা যায় ওই হাতব্যাগের মূল্য ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। যা নাকি তুরস্কের ১১ জন নাগরিকের ন্যূনতম বার্ষিক উপার্জনের সমান।

Advertisement

আরও পড়ুন: কী অদ্ভুত! দোকানের ফ্রিজ থেকে আইসক্রিম খেয়ে ঢাকনা বন্ধ করে রেখে দিলেন

আরও পড়ুন: চোখ বাঁধা, দুটি দড়ির উপর দিয়ে হাঁটছে প্রশিক্ষিত কুকুর, ভাইরাল ভিডিয়ো

Advertisement

বর্তমানে তুরস্ক আর্থিক সঙ্কটের মুখোমুখি। পণ্যের ঊর্ধ্বমুখী দামের জেরে নাভিশ্বাস সাধারণ মানুষের। সেই অবস্থায় রাজপ্রাসাদ বিলাসব্যসন ও শ‌ৌখিনতা থেকে দূরে থাকতে পারছে না! প্রশ্ন উঠেছে তুরস্কের প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমে। গত অগস্টে চরমে উঠেছিল তুরস্কের আর্থিক সঙ্কট। তার থেকে এখনও মুক্তির পথ খুঁজছে দেশবাসী। দেশ জুড়ে লাগামছাড়া বেকারত্ব। সংবাদমাধ্যমে আশঙ্কা, এ ভাবে চলতে থাকলে তা অতীত বেকারত্বের সব রেকর্ড ছাপিয়ে যাবে। সেই অবস্থায় সমালোচকরা দুষছেন এর্ডোগান জমানায় তৈরি ১১৫০ কক্ষের প্রেসিডেনশিয়াল কমপ্লেক্সকেও।

এর আগেও বিতর্ক তৈরি হয়েছে এমাইনকে নিয়ে। বছর তিনেক আগে তিনি হারেমের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। বলেছিলেন, হারেম আসলে নারীকে জীবনের জন্য প্রস্তুত করে তোলে। প্রাচীন তুরস্কের ওটোমান শাসন তথা ইসলামিক রীতিনীতির পক্ষপাতী প্রেসিডেন্ট রিসেপ এবং ফার্স্ট লেডি এমাইন। তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় গিয়ে তিনি বলেছিলেন, হারেম ছিল ওটোমান রাজবংশের ঘরানা মেনে মেয়েদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। যা তাঁদের গড়ে তুলত আগামী জীবনের জন্য । সে বারও তুরস্কের সংবাদমাধ্যমে তীব্র সমালোচনা থেকে রেহাই পাননি দেশের ফার্স্ট লেডি।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement