(বাঁ দিকে) আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভেনেজ়ুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রড্রিগেস (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।
কথা না-শুনলে বড় মূল্য চোকাতে হবে, ভেনেজ়ুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রড্রিগেসকে রবিবার এমনই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার পর সুর খানিক নরম করলেন ডেলসি। আমেরিকার সঙ্গে সহযোগিতার সম্পর্কের বার্তা দিলেন। টেলিগ্রামে লিখলেন দু’টি বাক্য।
ডেলসি জানিয়েছেন, আমেরিকা এবং ভেনেজ়ুয়েলার সম্পর্কে ভারসাম্য এবং শ্রদ্ধা দেখতে চান তিনি। লিখেছেন, ‘‘আমেরিকা ও ভেনেজ়ুয়েলার মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ এবং শ্রদ্ধাশীল সম্পর্ক স্থাপন আমাদের অগ্রাধিকার। পারস্পরিক সহযোগিতা ও উন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার জন্য আমরা আমেরিকার সরকারকে আহ্বান জানাচ্ছি।’’
উল্লেখ্য, ডেলসিকে নিয়ে প্রথমে ইতিবাচক বার্তাই দিয়েছিলেন ট্রাম্প। ভেনেজ়ুয়েলায় অভিযান চালিয়ে সে দেশের প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করার পর ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি আমেরিকার সঙ্গে সহযোগিতাই করবেন। কিন্তু ডেলসি নিজে সে কথা বলেননি। তিনি মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন। জানিয়েছিলেন, ভেনেজ়ুয়েলার একটাই প্রেসিডেন্ট— মাদুরো।
রবিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘দ্য আটলান্টিক’-কে ট্রাম্প জানান, কথা না-শুনলে ডেলসিকে আরও বড় মূল্য চোকাতে হবে। তাঁর কথায়, ‘‘যদি রড্রিগেস সঠিক ভাবে কাজ না করেন, তা হলে তাঁকে মাদুরোর থেকেও বড় মূল্য দিতে হতে পারে।” এমনকি, ভেনেজ়ুয়েলায় দ্বিতীয় বার সামরিক আক্রমণেরও হুঁশিয়ারি দেন ট্রাম্প। তার পরেই ডেলসি সুর কিছুটা নরম করেছেন বলে মত অনেকের।
শনিবার মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে ভেনেজ়ুয়েলায় ঢুকে অপহরণ করে ট্রাম্পের বাহিনী। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে নিউ ইয়র্কে। আপাতত ব্রুকলিনের ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখা হয়েছে তাঁদের। আমেরিকাতেই বিচারের আওতায় আনা হবে ভেনেজ়ুয়েলার অপহৃত প্রেসিডেন্ট এবং ফার্স্ট লেডিকে। আমেরিকার এই পদক্ষেপের পর সমালোচনায় সরব হয়েছে বিভিন্ন মহল।