Mojtaba Khamenei

মোজতবা খামেনেই কোথায়? ইরানের সর্বোচ্চ নেতার খোঁজ চালাচ্ছে সিআইএ, মোসাদ! দাবি, বেঁচে থাকলেও ক্ষমতায় নেই

দ্য জেরুসালেম পোস্ট-এর কাছে ইজ়রায়েল প্রশাসনের এক সূত্র দাবি করেছে, বর্তমানে ইরানকে পরিচালনার ক্ষমতা রয়েছে রেভোলিউশনারি গার্ড কোর-এর (আইআরজিসি) হাতে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২২ মার্চ ২০২৬ ১৫:৫৮
Share:

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই। ছবি: রয়টার্স।

মোজতবা খামেনেই কোথায়? ইরানের সর্বোচ্চ নেতার একযোগে খোঁজ চালাচ্ছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ এবং ইজ়রায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ। মোজতবাকে খুঁজে বার করার হুমকি দিয়েছিল দুই দেশ। ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের চার সপ্তাহ হয়ে গেলেও এখনও তাঁর হদিস পায়নি সিআইএ এবং মোসাদের মতো দুর্ধর্ষ গোয়েন্দাবাহিনী। তবে তাদের দাবি, মোজতবা বেঁচে আছেন ঠিকই, কিন্তু তাঁর হাতে ইরানের ক্ষমতা নেই। দ্য জেরুসালেম পোস্ট-এর কাছে ইজ়রায়েল প্রশাসনের এক সূত্র দাবি করেছে, বর্তমানে ইরানকে পরিচালনার ক্ষমতা রয়েছে রেভোলিউশনারি গার্ড কোর-এর (আইআরজিসি) হাতে।

Advertisement

আরও একটি সূত্র দাবি করেছে, মোজতবাকে নিয়ন্ত্রণ করছে আইআরজিসি। তবে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার যে মৃত্যু হয়নি, সে বিষয়ে এক প্রকার নিশ্চিত সিআইএ এবং মোসাদ। প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই ইজ়রায়েল এবং মার্কিন হানায় নিহত হওয়ার পর গত ৯ মার্চ তাঁর পুত্র মোজতবাকে সর্বোচ্চ নেতা হিসাবে ঘোষণা করা হয়। কিন্তু তাঁকে সর্বোচ্চ নেতা হিসাবে ঘোষণা করা হলেও, প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। বেশ কয়েকটি সূত্র মারফত দাবি করা হয়, হামলায় মৃত্যু হয়েছে মোজতবার। প্রকাশ্যে না আসার ঘটনা সেই জল্পনাকে উস্কে দেয়। তার মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, ‘‘শুনেছি ওঁর (মোজতবা) মৃত্যু হয়েছে।’’ কিন্তু ইরানের তরফে বার বার সেই তথ্য খারিজ করে দেওয়া হয়েছে।

পরে কুয়েতি সংবাদ সংস্থা আল-জ়ারিদার প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ২৮ ফেব্রুয়ারির হামলায় মোজতবা গুরুতর আহত হয়েছেন। চিকিৎসার জন্য তাঁকে মস্কোয় উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে। যদিও রাশিয়া সেই তথ্যকে খণ্ডন করেছে। মোজতবা জীবিত না মৃত, এই তথ্য যখন ঘুরপাক খাচ্ছে, সেই সময়ে গত ১২ মার্চ ইজ়রায়েল এবং আমেরিকার বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দেন সর্বোচ্চ নেতা। তাঁর সেই বার্তা ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তিনি নওরোজ় উৎসবের শুভেচ্ছাবার্তাও দিয়েছেন ইরানবাসীকে। কিন্তু সবই সরকারি সংবাদমাধ্যমে। কিন্তু প্রকাশ্যে দেখা যায়নি তাঁকে। ফলে মোজতবাকে নিয়ে কিছুতেই ধোঁয়াশা কাটছে না। সিআইএ এবং মোসাদও মোজতবার অনবরত খোঁজ চালিয়ে যাচ্ছে। দুই দেশের গোয়েন্দা বাহিনী অপেক্ষা করছিল যে, নওরোজ়ে হয়তো মোজতবা প্রকাশ্যে আসবেন। কিন্তু তাদের সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। নওরোজ়ে টেলিগ্রাম চ্যানেলে একতার বার্তা দেন মোজতবা। সঙ্গে ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে। এই ছবিটি কি সাম্প্রতিক, তা খতিয়ে দেখছে সিআইএ এবং মোসাদ।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement