Zohran Mamdani Takes Oath

একই দিনে দু’বার নিউ ইয়র্কের মেয়র পদে শপথ মামদানির! প্রথমে হল পরিত্যক্ত স্টেশনে, পরে হবে জনতার সামনে

এক বার ঘনিষ্ঠ বৃত্তে। পরের বার জনতার ভিড়ের সামনে। নিউ ইয়র্কের মেয়র পদে একই দিনে দু’বার শপথ নিচ্ছেন জ়োহরান মামদানি। প্রথম পর্বের শপথ হয়ে গিয়েছে। দ্বিতীয়টি এখনও বাকি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০১ জানুয়ারি ২০২৬ ১৭:০২
Share:

শপথগ্রহণ করছেন জ়োহরান মামদানি (মাঝে)। ছবি: রয়টার্স।

একই দিনে দু’বার নিউ ইয়র্কের মেয়র পদে শপথ নিচ্ছেন জ়োহরান মামদানি। প্রথম দফা মিটে গিয়েছে। দ্বিতীয় দফা এখনও বাকি। প্রথম বার শপথ নিয়েছেন নিউ ইয়র্কের পরিত্যক্ত ভূগর্ভস্থ স্টেশনে। দ্বিতীয় বার নেবেন নিউ ইয়র্কের সিটি হলের বাইরে।

Advertisement

স্থানীয় সময়ে অনুসারে, বুধবার গভীর রাতে নিউ ইয়র্কের বহু পুরানো এবং পরিত্যক্ত সাবওয়ে স্টেশন ওল্ড সিটি হলে দাঁড়িয়ে শপথ নেন তিনি। এটি ছিল মূলত ব্যক্তিগত পরিসরে আয়োজিত একটি শপথ অনুষ্ঠান। উপস্থিত ছিলেন মামদানির ঘনিষ্ঠেরাই। সেখানে ‘বাম ঘেঁষা’ বলে পরিচিত ডেমোক্র্যাট নেতা ধর্মগ্রন্থ কোরানের উপর হাত রেখে শপথবাক্য পাঠ করেন। পরে শহরের সিটি হলের বাইরে সাধারণ জনতার সামনে শপথবাক্য পাঠ করবেন তিনি।

বুধবার মধ্যরাতে মামদানিকে শপথবাক্য পাঠ করান নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিটিয়া জেমস। সেখানে তাঁর সঙ্গে ছিলেন মামদানির স্ত্রী রমা দুয়াজি। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় (আমেরিকার স্থানীয় সময় অনুযায়ী) নিউ ইয়র্কের সিটি হলে দ্বিতীয় বার শপথ নেবেন তিনি। প্রথম বার জনসমাবেশ না থাকলেও, দ্বিতীয় বার জনতার সামনেই হবে তাঁর শপথ। সিটি হলের সামনে তাঁকে শপথগ্রহণ করাবেন সেনেটর বার্নি স্যান্ডার্স। বার্নিকে নিজের রাজনৈতিক আদর্শ বলে মনে করেন মামদানি।

Advertisement

গত ৪ নভেম্বর নিউ ইয়র্কের কনিষ্ঠতম মেয়র নির্বাচিত হন ভারতীয় বংশোদ্ভূত, ৩৪ বছর বয়সি ডেমোক্র্যাট রাজনীতিক মামদানি। কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশের বৃহত্তম শহরে সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী জীবনযাপনের নানা ‘উপায়’ বাতলেই ভোটে জিতেছেন তিনি। ডিসেম্বরের গোড়ায় এক সাংবাদিক বৈঠকে মামদানি বলেছিলেন, “আমি নিউ ইয়র্কের মানুষের জন্য সেরাদের নিয়ে প্রশাসনিক টিম তৈরি করছি। কারণ তাঁদের নেওয়া সিদ্ধান্তই আপনাদের জীবনযাপন সহজ ও স্বচ্ছন্দ করে তুলবে।”

নির্বাচনের আগে মামদানির বিরুদ্ধে ধারাবাহিক প্রচার চালিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনকি, মামদানির উদ্দেশে ব্যবহার করেছিলেন নানা অপশব্দ। মামদানি জিতলে নিউ ইয়র্কের জন্য বরাদ্দ কেন্দ্রীয় তহবিলে কোপ পড়বে, এমন হুমকিও দিয়েছিলেন। পাল্টা ট্রাম্পকে ‘ফ্যাসিস্ট’ (ফ্যাসিবাদী) এবং ‘স্বৈরাচারী’ বলে তোপ দেগেছিলেন মামদানি।

বিজয়ী ভাষণে জওহরলাল নেহরুকে উদ্ধৃত করেছিলেন মামদানি। বলেছিলেন, ‘‘আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে আজ আমার জওহরলাল নেহরুর কথাগুলি মনে পড়ছে। ইতিহাসে এই মুহূর্ত বিরল। আমরা পুরাতন থেকে নতুনের দিকে পা বাড়ালাম। একটা যুগ শেষ হল, দীর্ঘ দিন ধরে চেপে রাখা একটা জাতির আত্মা নতুন ভাষা খুঁজে পেল।’’ ১৯৪৭ সালের ১৫ অগস্ট ভারতের স্বাধীনতা লাভের পর নেহরুও এই কথাগুলি বলেছিলেন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement