দীপাবলির আনন্দ ভরপুর উপভোগ করতে সতর্ক থাকুন, পোশাক ও গয়না পরুন বেছে বেছে
খুব বেশি ঢিলেঢালা পোশাক বা ভরী গয়না এড়িয়ে চলুন।
কালীপুজো বা দীপাবলি মানেই আলোর উৎসব। আর, সেই উৎসবের রাতে আনন্দ তো থাকবেই। তবে, সুরক্ষা সবার আগে। তাই, বাজি ও প্রদীপের কাছাকাছি থাকার সময়ে আপনার পোশাক ও গয়না কেমন হওয়া উচিত, জেনে নিন।
সুতির পোশাকই সেরা বিকল্প: আলোর উৎসবের রাতে সুতির পোশাক পরা সবথেকে নিরাপদ। সুতির কাপড়ে সহজে আগুন ধরে না এবং দ্রুত তা ছড়ায় না, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমায়।
সিন্থেটিক পোশাক নয়: নাইলন, পলিয়েস্টার বা রেয়নের মতো সিন্থেটিক কাপড়ের তৈরি পোশাক এড়িয়ে চলুন। এই ধরনের কাপড়ে খুব দ্রুত আগুন ধরে এবং তা গলে গিয়ে ত্বকের ক্ষতি করে।
আঁটোসাঁটো পোশাক পরুন: কালীপুজো রাতে খুব ঢিলেঢালা বা ফ্লোয়িং পোশাক পরা উচিত নয়। কারণ, এই ধরনের পোশাক প্রদীপ বা বাজির আগুনের কাছাকাছি এলে সহজে ধরে যেতে পারে। বরং ফিটিং বা সেমি-ফিটিং অর্থাৎ মাপসই এবং আঁটোসাঁটো পোশাক বেছে নিন।
লম্বা পোশাক এড়িয়ে চলুন: মেঝে পর্যন্ত ঝোলানো বা অতিরিক্ত লম্বা লেহঙ্গা, কুর্তা বা শাড়ি এড়িয়ে চলুন। কারণ, এই ধরনের পোশাক পরলে হাঁটার সময়ে বা প্রদীপের পাশে বসার সময়ে আগুন ধরে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
আরও পড়ুন:
ওড়না ব্যবহারে সতর্কতা: ভারী কাজ করা বা অতিরিক্ত ঝোলানো স্কার্ফ কিংবা ওড়না যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। পরলেও তা ভাল ভাবে সেফটি পিন দিয়ে গুছিয়ে রাখুন। যাতে তা আগুনের কাছে চলে না যায়।
ভারী গয়না নয়: উৎসবের রাতে খুব ভারী বা ঝুলন্ত গয়না না পরাই ভালো। ভিড়ের মধ্যে বা হুড়োহুড়িতে গয়না ছিঁড়ে যাওয়ার বা কোনও জিনিসে আটকে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
ধাতব গয়না বেছে নিন: সম্ভব হলে কাচ বা প্লাস্টিকের গয়নার বদলে ধাতব গয়না পরুন। কাচের চুড়ি ভিড়ে বা কোনও দুর্ঘটনায় ভেঙে গিয়ে কেটে যাওয়ার ভয় থাকে।
চুল খোলা রাখবেন না: লম্বা চুল খোলা রাখবেন না। অবশ্যই চুল বেঁধে রাখুন বা খোঁপা করে নিন। বাজি ফাটানো বা আরতির সময়ে খোলা চুল বিপদ ডেকে আনতে পারে।
আরও পড়ুন:
আনন্দ করুন, সতর্ক থাকুন: এই উৎসবের রাতে পোশাক ও গয়না নির্বাচনের ক্ষেত্রে ফ্যাশনের চেয়ে নিরাপত্তায় সবথেকে বেশি গুরুত্ব দিন। উৎসবের আনন্দ হোক বিপন্মুক্ত। (এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।)