মহিলারা নন, শাড়ি, শাঁখা-সিঁদুর পরে পুরুষরা বরণ করেন জগদ্ধাত্রীকে
২০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলে আসা ভদ্রেশ্বরের গৌড়হাটি তেতুঁলতলা সর্বজনীন জগদ্ধাত্রী পুজো শুরু করেছিলেন রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের অনুচর দাতারাম সুর। তবে এই পুজোর বিশেষত্ব কিন্তু দেবীর বরণে।
চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজো দেখতে দূরদূরান্ত থেকে ভক্তরা ছুটে আসেন। অভূতপূর্ব আলোকসজ্জায় সাজে গোটা এলাকা।
তবে শুধু চন্দননগর নয়। হুগলি জুড়ে বিভিন্ন জায়গায় পালন করা হয় জগদ্ধাত্রী পুজো। তারই মধ্যে কিছু পুজোয় জড়িয়ে রয়েছে ঐতিহাসিক কাহিনি।
যেমন, ভদ্রেশ্বরের গৌড়হাটি তেতুঁলতলা সর্বজনীন জগদ্ধাত্রী পুজো।
কথিত, ২০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলে আসা এই পুজো শুরু করেছিলেন রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের অনুচর দাতারাম সুর। তবে এই পুজোর বিশেষত্ব কিন্তু দেবীর বরণে।
এখানে দশমীর দিন মহিলারা নন, বরং পুরুষরাই শাড়ি, শাঁখা-সিঁদুর পরে দেবীকে বরণ করেন। এই অদ্ভুত প্রথা দেখতে ভিড় জমান বহু মানুষ।
আরও পড়ুন:
বলা হয়, আগেকার দিনে মহিলারা বাড়ির বাইরে বেরোতেন না। তাই পুরুষরাই এখানে মহিলা সেজে সেই প্রাচীন কাল থেকে দেবীকে বরণ করে আসছেন।
আবার এখানে পুজোর আগে ভক্তরা দেবীকে বেনারসি শাড়ি নিবেদন করেন। প্রায় ২০০ বেনারসি শাড়ি দেবীকে পরানোর এক বিশেষ রীতি এখানে প্রচলিত আছে।
এখানে দেবীর সজ্জায় থাকে কয়েকশো ভরি সোনার গয়না। সব মিলিয়ে এই অন্যরকম পুজো হুগলির আকর্ষণ। এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।