ব্রাজ়িলের সেই তরুণী। ছবি: এক্স থেকে নেওয়া।
বিমানের জানলার ধারের আসনে বসার জন্য বার বার আবেদন করছিল এক শিশু। কান্নাকাটিও করছিল। তবুও মন গলেনি তরুণীর। জানলার ধারের ওই আসনে ঠায় বসে থাকলেন তিনি। পরে মানসিক স্বাস্থ্য ‘ক্ষতিগ্রস্ত’ করার অভিযোগে অদ্ভুত কাণ্ড ঘটালেন তিনি। বিমান থেকে নামতেই বিমান সংস্থা এবং যাত্রীদের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিলেন। সেই সংক্রান্ত একটি ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি রিয়ো ডি জেনেইরো থেকে বেলো হরিয়ন্তে যাওয়ার জন্য জিওএল এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে চড়়েছিলেন জেনিফার কাস্ত্রো নামে এক তরুণী। ব্রাজ়িলের বাসিন্দা জেনিফার পেশায় ব্যাঙ্কার। বিমানে জানলার ধারে আসন পেয়েছিলেন তিনি। বসেছিলেন নির্দিষ্ট আসনেই। কিন্তু একটু পরেই এক শিশু এবং তার পরিবার তাঁকে ওই জানলার ধারের আসন ছেড়ে দেওয়ার আবেদন জানায়। শিশুটি ওই আসনে বসার আবদার করে। তাঁকে ওই আসন ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। কিন্তু রাজি হননি জেনিফার। বার বার অনুরোধ এবং শিশুটির কান্নাও তাঁর মন গলাতে পারেনি। পাল্টা জেনিফার বলেন, শিশুটি ইতিমধ্যেই একটি জানলার ধারের আসনে বসে রয়েছে। তাই শিশুটি বা তার পরিবারের অনুরোধ রাখার অভিপ্রায় নেই তাঁর। আসন না ছাড়ার জন্য বিমানের অন্য যাত্রীদের সমালোচনার শিকার হতে হয় জেনিফারকে। অভিযোগ, শিশুটির মা খারাপ ব্যবহার করেন তাঁর সঙ্গে। অনেকে ক্যামেরাবন্দিও করেন পুরো ঘটনা। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে।
জানা গিয়েছে, বিমান থেকে নেমে বিমানের কয়েক জন যাত্রী এবং বিমানসংস্থার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করার সিদ্ধান্ত নেন জেনিফার। পরে মামলাও করেন মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করার জন্য।
সেই ঘটনার ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে ‘টোনি লেন’ নামের একটি এক্স হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োটি দেখে নেটাগরিকদের অনেকে যেমন বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, তেমনই আবার অনেকে জেনিফারকে সমর্থন করেছেন। সিদ্ধান্তে অটল থাকার জন্য প্রশংসাও করেছেন।