ভোট মিটতেই তৃণমূল এবং বিজেপি-র সংঘর্ষে উত্তেজনা ছড়াল জলপাইগুড়িতে। বিজেপি-র অভিযোগ, শনিবার ভোট শেষ হওয়ার পর জলপাইগুড়ির রাষ্ট্রীয় বালিকা বিদ্যালয়ে দলীয় এজেন্টদের উপর চড়াও হয় তৃণমূল কর্মীরা। তৃণমূলের অবশ্য পাল্টা অভিযোগ, ইভিএম নিয়ে যাওয়ার গাড়িতে ছিলেন বিজেপি প্রার্থীর এজেন্টরা। তার প্রতিবাদ করাতেই গেরুয়া শিবিরের কর্মীরা তাঁদের উপরে চড়াও হন বলে অভিযোগ জোড়াফুল শিবিরের।
শনিবার ভোট শেষের পর তৃণমূল এবং বিজেপি-র সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে জলপাইগুড়ির রাষ্ট্রীয় বালিকা বিদ্যালয় চত্বর। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। পরিস্থিতি সামাল দিতে করা হয় লাঠিচার্জ। বিজেপি-র অভিযোগ, ভোট শেষে দলীয় প্রার্থীর এজেন্টরা বুথ থেকে বার হলে তাঁদের মারধর করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। মহিলা এজেন্টদেরও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ বিজেপি-র।
এক বিজেপি কর্মীর মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। বিষয়টি নিয়ে কোতয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে বিজেপি। জলপাইগুড়ির তৃণমূল নেতা সৈকত চট্টোপাধ্যায়ের পাল্টা অভিযোগ, ‘‘আমাদের কাছে ভিডিয়ো আছে। বিজেপি-র এজেন্টরা ইভিএম নিয়ে যাওয়ার গাড়িতে ছিলেন। সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে তৃণমূল এর প্রতিবাদ করে। এর পর তাঁদের নামিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু পুলিশ দুষ্কৃতীদের বাঁচাতেই লাঠিচার্জ করে। আমরা বিষয়টি কমিশনেক জানিয়েছে। বিজেপি এখানে তৃতীয় হবে। তাই হতাশায় এ সব করছে।’’
আরও পড়ুন:
কমিশন সুত্রে জানা গিয়েছে, জলপাইগুড়ি জেলায় এ বার মোট ৩টি স্ট্রং রুম করা হয়েছে। এর মধ্যে জলপাইগুড়ি গভর্নমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ক্যাম্পাসে তৈরি করা হয়েছে ২টি স্ট্রং রুম। আর একটি মালবাজার কলেজে। ভোট মিটতেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাহারায় রয়েছে স্ট্রং রুম। রবিবার সকালে স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা খতিয়ে দেখেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা।