পাহাড়ে গোলমালের পিছনে গভীর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে শনিবারেই অভিযোগ করেছিলেন তিনি। রবিবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে জৈন সম্প্রদায়ের সম্মেলনে গিয়ে অহিংসার পক্ষে বলতে গিয়ে পাহাড়ে হিংসা ছড়ানোর বিরুদ্ধেই পরোক্ষে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের সকলেরই অহিংসার বার্তা বহন করা উচিত। সমাজে যাতে হিংসা না-ছড়ায়, সেই জন্য প্রচার করুন। মানবতার ধর্মই সব চেয়ে বড় ধর্ম।’’

পাহাড়ে আন্দোলনের পিছনে বিজেপির কলকাঠি আছে বলে শনিবার নবান্নে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহ অবশ্য এ দিন দার্জিলিঙে হিংসা বন্ধের আবেদন জানিয়েছেন।

মুখ্যমন্ত্রী এ দিন স্বীকার করে নেন, তাঁরও ভুল হতে পারে। ‘‘আমার যদি কোনও ভুল হয়ে থাকে, তা শুধরে দেবেন। আমি হাসিমুখে সেই ভুল স্বীকার করে নেবো,’’ বলেন মমতা। তার পরেই মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য, যিনি কাজ করেন, তাঁরই ভুল হয়। কাজ যিনি করেন না, তাঁর ভুলও হয় না। রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে, স্কুলে বাংলা পড়ানোর বিরুদ্ধে দার্জিলিঙে যে-আন্দোলন শুরু হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী কি সেই বিষয়েই ভুল স্বীকার করে নিলেন? তৃণমূলের শীর্ষ নেতারা অবশ্য তা মানতে নারাজ। দলের এক শীর্ষ নেতার কথায়, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী সব সময়েই যথেষ্ট নমনীয়। সব ক্ষেত্রেই তিনি ভুল হলে তা স্বীকার করে নেন। এর সঙ্গে দার্জিলিঙের সম্পর্ক নেই।’’