সংগৃহীত চিত্র।
বাঙালি গোটা বছর অপেক্ষায় থাকে পুজোর এই চার দিনের। তবে কেবল পশ্চিমবঙ্গ বা বাংলার বাইরে যেখানে বাঙালিরা রয়েছে সেখানে সমারোহে যে এই সময় কেবলই দুর্গাপুজো অনুষ্ঠিত হয় সেটা নয়। কোথাও চলে ‘জ়িরো ফেস্টিভ্যাল’ তো কোথাও নবরাত্রি উদ্যাপন। গুজরাটে নবরাত্রির রোজই গরবার অনুষ্ঠান চলে।
আমদাবাদের বাসিন্দা রিম্পা মুখোপাধ্যায় আনন্দবাজার ডট কমকে বললেন, "এই সময় শহর, বাড়ি থেকে দূরে থাকি বলে একটু মন খারাপ হয়, প্রতি বছর ফিরতে পারি না। কিন্তু দূরে থেকেও মন ভাল করে দেয় এখানকার গরবার রাতগুলি।"
তিনিই জানালেন আমদাবাদ তো বটেই, বডোদরা সহ গুজরাটের কম বেশি জায়গাতেই নবরাত্রির ক’দিন রোজ গরবার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আবাসন থেকে স্কুল, পাড়া সহ বিভিন্ন জায়গায় ছোট বড় আকারে গরবার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। থাকে ভরপুর খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থাও।
আবাসন বা এলাকার সকলে মিলে সেই অনুষ্ঠানগুলিতে রঙিন পোশাক, মূলত ঘাঘরা চোলি বা ছেলেদের গুজরাটি বিশেষ পোশাক পরেই সকলে এই অনুষ্ঠানে মেতে ওঠেন। দশেরার দিন চলে রাবণ দহন। অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভ শক্তির জয় দেশের এই প্রান্তে এই ভাবেই পালিত হয়।
রূপ, রং আলাদা হলেও এই সময়টা সকলেই উৎসবের আনন্দে মেতে ওঠেন।
‘আনন্দ উৎসব ২০২৫’-এর সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছেন একাধিক সহযোগী। প্রেজ়েন্টিং পার্টনার ‘মারুতি সুজ়ুকি অ্যারেনা’। অন্যান্য সহযোগীরা হলেন ওয়েডিং পার্টনার ‘এবিপি ওয়ানস্টপ ওয়েডিং’, ফ্যাশন পার্টনার ‘কসমো বাজ়ার’, নলেজ পার্টনার ‘টেকনো ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটি’, ব্যাঙ্কিং পার্টনার ‘ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া’, কমফোর্ট পার্টনার ‘কার্লন’।
এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।