—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
মামলাটি ছিল হিমাচল প্রদেশে আবাসন আইন নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (রেরা) দফতরকে সিমলা থেকে ধরমশালায় সরানো নিয়ে। আর সেই সূত্রেই বৃহস্পতিবারের শুনানিতে রেরা নিয়ে কড়া বার্তা দিল সুপ্রিম কোর্ট। জানাল, এই প্রতিষ্ঠানটি বকেয়া ফেলা নির্মাতাদের সাহায্য করা ছাড়া কিছুই করছে না। ফলে সমস্ত রাজ্যের রেরার গঠন খতিয়ে দেখা এবং পুনর্বিবেচনার সময় এসেছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, আবাসন আইনের কার্যকারিতা নিয়ে দেশে বহু অভিযোগ উঠছে। এই পরিস্থিতিতে কার্যত সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের উদ্দেশেই শীর্ষ আদালতের ভর্ৎসনা এটি। যা তাৎপর্যপূর্ণ।
অসাধু প্রোমোটারদের দৌরাত্ম্য রুখে বাড়ি-ফ্ল্যাটের ক্রেতাদের স্বস্তি দিতে আবাসন আইন তৈরি করেছিল কেন্দ্র। সেই আইন ঠিক মতো কার্যকর করতে তৈরি হয় নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। এ দিন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ বলেছে, যে সমস্ত মানুষের জন্য রেরা তৈরি করা হয়েছিল, তাঁরা ‘সম্পূর্ণ বিষণ্ণ, বিরক্ত এবং হতাশ’।
হিমাচলপ্রদেশের রেরায় একজন অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার নিযুক্ত হয়েছেন জানতে পেরেও একহাত নিলেন প্রধান বিচারপতি। সূর্য কান্তের মন্তব্য, ‘‘...যাঁদের জন্য এই প্রতিষ্ঠান (রেরা) তৈরি হয়েছে, তাঁদের কেউ কোনও সুবিধা পাচ্ছেন না। আসলে কাদের পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে তা বোঝা যাবে, ওই সব মানুষের সঙ্গে দেখা হলে।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে