— প্রতীকী চিত্র।
গত মার্চ থেকে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ বিশ্ব বাজারে অশোধিত তেলের দাম বাড়িয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে তা রয়েছে ব্যারেল পিছু ১০০ ডলারের উপরে। এই পরিস্থিতিতে দেশে রান্নার গ্যাস-সহ অন্যান্য জ্বালানির দাম বাড়ালেও পেট্রল-ডিজ়েলে এখনও হাত দেয়নি রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলি। শুক্রবার তেল সংস্থা সূত্রের দাবি, সব মিলিয়ে প্রতি মাসে তাই ৩০,০০০ কোটি টাকা ক্ষতির মুখে পড়ছে তারা। পেট্রল-ডিজ়েল কিংবা রান্নার গ্যাস, সব কিছুর উৎপাদন খরচ ৫০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। তুলনায় অনেক কম খুচরো দাম। ফলে তেলে প্রতি দিন বিরাট ক্ষতি গুনতে হচ্ছে। সূত্রের খবর, পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছছে যে, আগামী সপ্তাহে পেট্রল-ডিজ়েলের দাম বাড়তে পারে।
সম্প্রতি কেন্দ্রের দাবি ছিল, মার্চে পেট্রলের লিটারে ২০ টাকা ও ডিজ়েলে ১০০ টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে। তেল সংস্থা সূত্র জানাচ্ছে, এপ্রিলে তা যথাক্রমে ১৮ এবং ২৫ টাকা। কারণ, ইরানে আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের সামরিক হামলার আগে অশোধিত তেলের ব্যারেল ৭০-৭২ ডলারের আশেপাশে থাকলেও, তা মার্চে বেড়ে হয় ১৪৪ ডলার। সম্প্রতি বেশ কিছু দিন ধরে ১১০-১২০ ডলারে ঘুরেছে। শুক্রবার ছিল প্রায় ১০১ ডলার।
কেন্দ্র ইতিমধ্যেই পেট্রল-ডিজ়েলের লিটারে ১০ টাকা করে উৎপাদন শুল্ক কমিয়েছে। হিসাব বলছে, তেল সংস্থাগুলি এখন মাসে ৩০,০০০ কোটি টাকা করে লোকসান গুনছে। শুল্ক না কমলে তা ছুঁত ৬২,৫০০ কোটি। সংশ্লিষ্ট মহলের বক্তব্য, অতীতে বিশ্ব বাজারে বেশ ক’বার তেলের দর কমেছে। কিন্তু এ দেশে জ্বালানি সস্তা হয়নি। উল্টে অনেক সময় কেন্দ্র শুল্ক বাড়িয়েছে। অথচ সে সময়ে দাম কমলে প্রয়োজনে বৃদ্ধি নিয়ে এত ভাবতে হত না।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে