—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি, সব ব্যাঙ্কেই অ্যাকাউন্টে ন্যূনতম জমা না থাকলেও গ্রাহককে জরিমানা না করার নীতি চালুর সুপারিশ করল সংসদের কমিটি অন পিটিশন্স। তাদের দাবি, ব্যাঙ্কগুলি গ্রাহকদের থেকে এই জরিমানা বাবদ বিশাল টাকা আদায় করছে। যা তাদের আয়ের একটি পথ হয়ে উঠেছে। গত পাঁচ বছরে ওই অঙ্ক ছুঁয়েছে ২৮,৪৯৫ কোটি টাকা। কমিটি বৃহস্পতিবার লোকসভায় তাদের চতুর্থ রিপোর্ট পেশ করে। তাতে সুপারিশ, কোনও ব্যাঙ্ক যাতে গ্রাহকের সেভিংস ও কারেন্ট অ্যাকাউন্টে ন্যূনতম জমা না থাকলেও জরিমানা না নেয়, সেটা নিশ্চিত করুক অর্থ মন্ত্রক। পরিবর্তে অ্যাকাউন্টে অতিরিক্ত জমা রাখলে উৎসাহ দিক। তাতে পুরস্কার পয়েন্ট, ফি-তে ছাড়, সুদে সুবিধা থাকতে পারে।
ব্যাঙ্ক বিভিন্ন পরিষেবা কিংবা অন্য কোনও খাতে গ্রাহকদের থেকে যে টাকা আদায় করে, সে ব্যাপারে স্বচ্ছতা আনার সুপারিশও করেছে কমিটি। এ জন্য অ্যাকাউন্ট খোলার ফর্ম সংশোধন করতে বলেছে। ব্যাঙ্কের ইস্তাহার, মোবাইল অ্যাপের পাশাপাশি শাখার নোটিস বোর্ডে স্পষ্ট করে বিভিন্ন চার্জ এবং তার অঙ্ক লিসখে দিতে বলেছে। বিশেষত জানাতে হবে এটিএম ব্যবহার, এসএমএসে সতর্কিকরণ এবং ডিজিটাল লেনদেনে চার্জের কথা। অ্যাকাউন্ট খোলার সময় ওই সব ফি বা জরিমানার অঙ্ক লেখা নথি গ্রাহককে দেওয়াও জরুরি। তবে তা হতে হবে ইংরাজি, হিন্দি এবং আঞ্চলিক ভাষায়।
অন্যান্য সুপারিশ— গ্রাহকদের আর্থিক সচেতনতা বৃদ্ধি, তিনটি কাজের দিনের মধ্যে অভিযোগের সমাধান করার পরিকাঠামো তৈরি করা। গ্রামের মানুষ এবং অল্প শিক্ষিতদের জন্য অভিযোগ জানানোর প্রক্রিয়া সরল করতে বলেছে কমিটি। দাবি, ডিজিটালের সঙ্গে এসএমএস ও ফোনেও অভিযোগের ব্যবস্থা দরকার।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে