TDS Form 121

নতুন আয়কর আইনে বন্ধ ১৫জি ও ১৫এইচ ফর্ম, টিডিএস কাটা এড়াতে কী করবেন ব্যাঙ্ক-ডাকঘরের লগ্নিকারীরা?

১ এপ্রিল থেকে চালু হওয়া নতুন আয়কর আইনে ব্যাঙ্ক ও ডাকঘরের লগ্নিকারীদের জন্য ১৫জি এবং ১৫এইচ ফর্ম বন্ধ করেছে কেন্দ্র। ‘ট্যাঙ্ক ডিডাকটেড অ্যাট সোর্স’ বা টিডিএস থেকে বাঁচতে কী করবেন তাঁরা? আসছে কি কোনও নতুন ফর্ম?

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৫ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:৩২
Share:

—প্রতীকী ছবি।

চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে সারা দেশে চালু হয়েছে নতুন আয়কর আইন। এর জেরে আমূল বদলেছে ‘ট্যাক্স ডিডাকটেড অ্যাট সোর্স’ বা টিডিএসের নিয়ম। এত দিন পর্যন্ত এই করের হাত থেকে বাঁচতে ব্যাঙ্ক বা ডাকঘরে ১৫জি এবং ১৫এইচ ফর্ম জমা করতেন স্থায়ী ও মেয়াদি আমানতের লগ্নিকারীরা। এ বছর থেকে সংশ্লিষ্ট ফর্ম আর হাতে পাবেন না তাঁরা। সে ক্ষেত্রে টিডিএস কাটা এড়াতে কী করবে হবে তাঁদের? আনন্দবাজার ডট কম-এর এই প্রতিবেদনে রইল তার হদিস।

Advertisement

পুরনো নিয়মে টিডিএস এড়াতে ষাটোর্ধ্বদের ব্যাঙ্ক বা ডাকঘর দিত ১৫এইচ ফর্ম। আর বাকিদের ১৫জি ফর্ম পূরণ করতে হত। এ বার থেকে দু’টির বদলে একটিই ফর্ম দেবেন কর্তৃপক্ষ। তার নম্বর হল ১২১। আগের তুলনায় এই ফর্ম বেশ সহজ বলে জানিয়েছে আয়কর দফতর। সংশ্লিষ্ট ফর্ম পূরণের মাধ্যমে বিশেষ কিছু আয়ের ক্ষেত্রে টিডিএস না কাটার অনুরোধ করতে পারবেন বিনিয়োগকারী।

কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক সূত্রে খবর, ১২১ নম্বর ফর্মের মূল ধারণাটিকে আগের মতোই রাখা হয়েছে। অর্থাৎ কোনও ব্যক্তির মোট আয় করযোগ্য না হলে টিডিএস এড়ানোর জন্য এর মাধ্যমে অনুরোধ করতে পারবেন তিনি। তবে ফরম্যাটগত দিক থেকে ১৫জি এবং ১৫এইচের সঙ্গে নতুন ফর্মটির বেশ পার্থক্য রয়েছে। এর আইনি বিধিও আগের ফর্মগুলির থেকে আলাদা।

Advertisement

ব্যাঙ্ক-ডাকঘরের লগ্নিকারীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে ১২১ ফর্মটিকে দু’টি অংশে বিভক্ত করেছে কেন্দ্র। প্রথম অংশটি টিডিএস থেকে রেহাই পেতে চাওয়া ব্যক্তিরা পূরণ করবেন। সেখানে তাঁকে নাম, বাড়ির ঠিকানা, জন্মতারিখ এবং যোগাযোগের বিবরণের মতো মৌলিক তথ্যগুলি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি, এই অংশেই তিনি আয়ের ধরন, বছরে আনুমানিক আয়ের পরিমাণ এবং আগামী অর্থবর্ষে প্রত্যাশিত আয় লিখে দেবেন। কিছু ক্ষেত্রে বিগত দু’বছরের দাখিল করা আয়কর রিটার্নের বিবরণেরও প্রয়োজন হতে পারে।

১২১ নম্বর ফর্মের দ্বিতীয় অংশটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে পূরণ করতে হবে না। ওই অংশের যাবতীয় তথ্য লিখবে ব্যাঙ্ক বা ডাকঘরের মতো আয় প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেখানে প্রাপ্ত ঘোষণা সংক্রান্ত তথ্যও লিপিবদ্ধ করা হবে। ফর্ম ১২১ জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে ‘পার্মানেন্ট অ্যাকাউন্ট নম্বর’ বা প্যান বাধ্যতামূলক। লাগতে পারে বয়সের প্রমাণপত্র এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণ।

Advertisement

ভারতে বসবাসকারী ৬০ বছরের বেশি বা কম বয়সের যে কোনও নাগরিক ফর্ম ১২১ পূরণ করতে পারবেন। হিন্দু অবিভক্ত পরিবারের ক্ষেত্রেও টিডিএস এড়াতে এটি প্রযোজ্য হবে। কিন্তু, কোনও সংস্থা এবং অনাবাসীরা এই ফর্ম ব্যবহার করতে পারবেন না।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement