আবাসন প্রকল্পে লগ্নি টানায় পাল্লা ভারী ছোট শহরের

সাধারণ রোজগেরেদের উপযোগী লগ্নি এবং চটজলদি বিক্রি এই জোড়া সুবিধার টানেই ছোট শহরগুলিতে একের পর এক প্রকল্প গড়তে নামছে সংগঠিত নির্মাণ শিল্পমহল। তাদের দাবি, কলকাতায় জমি কিনতেই সিংহভাগ টাকা বেরিয়ে যায়। কিন্তু শহরতলি ও মফস্সলে এই সমস্যা কম। বাড়তি সুবিধা হিসেবে রয়েছে তৈরি বাজার। যেখানে এখনও চাহিদার তুলনায় জোগান কম।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ নভেম্বর ২০১৪ ০২:০৯
Share:

সাধারণ রোজগেরেদের উপযোগী লগ্নি এবং চটজলদি বিক্রি এই জোড়া সুবিধার টানেই ছোট শহরগুলিতে একের পর এক প্রকল্প গড়তে নামছে সংগঠিত নির্মাণ শিল্পমহল। তাদের দাবি, কলকাতায় জমি কিনতেই সিংহভাগ টাকা বেরিয়ে যায়। কিন্তু শহরতলি ও মফস্সলে এই সমস্যা কম। বাড়তি সুবিধা হিসেবে রয়েছে তৈরি বাজার। যেখানে এখনও চাহিদার তুলনায় জোগান কম।

Advertisement

যেমন, চন্দননগরে গঙ্গার ধারে শ্রাচী গোষ্ঠীর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ৫০ কোটি টাকা লগ্নিতে আবাসন প্রকল্প শুরু করেছে প্রাইমার্ক। সংস্থা-কর্তা সিদ্ধার্থ পান্সারির দাবি, ১৩০ কাঠার উপর ‘গ্যাঞ্জেটিকা’ প্রকল্প মূলত সাধারণ আয়ের মানুষের কথা ভেবেই তৈরি হচ্ছে। হুগলি, আরামবাগ, মানকুণ্ডুতেও আবাসন প্রকল্প গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

একই হিসেব কষেছে জৈন গোষ্ঠী। সংস্থার অন্যতম কর্তা শ্রায়াংশ জৈন জানান, শহরতলি মধ্যমগ্রাম অঞ্চলে ‘ড্রিম প্রথম’ নামে প্রথম প্রকল্পটি গড়তে ৫০ কোটি লগ্নি হচ্ছে। ২৫ একরে হবে ৬টি আবাসন প্রকল্প। বরাদ্দ ২৫০ কোটি।

Advertisement

আবার জেলা-শহর কৃষ্ণনগরে সাড়ে চার একরে তৈরি প্রকল্পের ৬৫টি ফ্ল্যাটের চাবি ইতিমধ্যেই ক্রেতাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে জানান সৃষ্টি গোষ্ঠীর বিপণন কর্তা অভিষেক ভরদ্বাজ। আসানসোলেও তাদের সৃষ্টিনগর প্রকল্পের হাত ধরে এ রাজ্যে পা রাখছে বায়োনিক হসপিট্যালিটি। সংস্থার অন্যতম কর্তা সুনিল ঝার দাবি, এর আগে এ ভাবে পেশাদার সংস্থার হাতে ফুড কোর্ট পরিচালনার ভার দেওয়া হয়নি।

সিদ্ধা ও ইডেন গোষ্ঠীও জোট বেঁধে বনহুগলিতে উদ্বাস্তুদের জন্য আবাসন প্রকল্পের কাজ শুরু করেছে। দু’বছরেই সব ফ্ল্যাট পুনর্বাসনের জন্য তৈরি হয়ে যাবে, দাবি সিদ্ধার কর্তা সঞ্জয় জৈন-এর।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement