ব্যাঙ্ক ঋণ বাড়ছে রাজ্যে, দাবি অমিতের

রাজ্যের বেশ কিছু জেলায় ব্যাঙ্ক ঋণ বেড়েছে। বিশেষ করে ছ’টি জেলা ওই তালিকায় রয়েছে। বৃহস্পতিবার ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্স আয়োজিত ব্যাঙ্ক শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে এক সভায় যোগ দিতে এসে এই দাবি করেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৮ ডিসেম্বর ২০১৫ ০২:৪৮
Share:

রাজ্যের বেশ কিছু জেলায় ব্যাঙ্ক ঋণ বেড়েছে। বিশেষ করে ছ’টি জেলা ওই তালিকায় রয়েছে। বৃহস্পতিবার ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্স আয়োজিত ব্যাঙ্ক শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে এক সভায় যোগ দিতে এসে এই দাবি করেন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র।

Advertisement

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘‘এখনও রাজ্য থেকে যে-পরিমাণ আমানত ব্যাঙ্কগুলি সংগ্রহ করে, তার তুলনায় যতটা ঋণ এখানে বণ্টন করা হয় (যাকে বলে ‘ক্রেডিট ডিপজিট’ বা সিডি রেশিও), তা যথেষ্ট কম। এটি বাড়ানোর ব্যবস্থা করা জরুরি। তবে রাজ্যের প্রায় ছ’টি জেলায় সিডি রেশিও বেড়েছে।’’ অমিতবাবু জানান, যে-সব জেলায় সিডি বেশিও বেড়েছে তার মধ্যে রয়েছে, হাওড়া, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুর, মালদহ, জলপাইগুড়ি। উল্লেখযোগ্য ভাবে এই হার বেড়েছে নদিয়ায়। সেখানে সিডি রেশিও বেড়েছে ১৬.৩৪%। ছিল ৩৬%, বেড়ে হয়েছে ৫২.৩৪%।

অমিতবাবুর দাবি, ‘‘এর থেকেই বোঝা যায়, ওই সব জেলায় ব্যবসা-বাণিজ্য বেড়েছে। ব্যাঙ্ক ঋণ বাড়লে বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি শিল্পের প্রসার রাজ্যে আরও বাড়বে। সিডি রেশিও বাড়ানোর জন্য প্রতিটি জেলায় এক জন করে বিশেষ অফিসার নিয়োগ করা উচিত ব্যাঙ্কগুলির।’’ তবে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে বা কিসান ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে দেওয়া ঋণের পরিমাণে অসন্তোষ প্রকাশ করেন অমিতবাবু। তিনি বলেন, রাজ্যে ৪.৮১ লক্ষ কিসান ক্রেডিট কার্ড বিলি হয়েছে। পাশাপাশি ৩২ হাজারেও বেশি স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে ব্যাঙ্ক ঋণের আওতায় আনা হলেও তাদের দেওয়া ঋণের পরিমাণ নিয়ে রাজ্য সরকার অখুশি।

Advertisement

রাজ্যে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ব্যাঙ্ক পরিষেবা ছড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলেও দাবি করেন অমিতবাবু। তিনি জানান, ‘‘রাজ্যে এখন ৭ কোটি মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন। এর প্রায় অর্ধেক গ্রামের। তাই ফোনের মাধ্যমে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা বৃদ্ধির যথেষ্ট সুযোগ এই রাজ্যে রয়েছে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement