CBSE Revaluation 2026

‘আমার খাতাই নয়’! সিবিএসই দ্বাদশের ফলাফল নিয়ে এ বার অভিযোগ পরীক্ষার্থীর

পরীক্ষা খাতা বদলে গেছে, অভিযোগ জানিয়ে সমাজমাধ্যমে লিখেছেন সিবিএসই-র দ্বাদশের পড়ুয়া। তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৫ মে ২০২৬ ১৭:০৯
Share:

ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

সেন্ট্রাল বোর্ড অব সেকেন্ডারি এডুকেশন-এর (সিবিএসই) দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার খাতার প্রতিলিপি নিয়ে নতুন বিতর্ক প্রকাশ্যে। সমাজমাধ্যমে এক পড়ুয়া দাবি করেছেন, ওই খাতা নাকি তাঁরই নয়। তাঁর লেখা বিবৃতিতেই আরও এক পড়ুয়ার সচিত্র মন্তব্য, যে প্রতিলিপি তিনি পেয়েছেন, তাতে লেখা উত্তরের সঙ্গে পরীক্ষার্থীর হাতের লেখার সঙ্গে কোনও মিল নেই। অর্থাৎ, ভুল খাতার প্রতিলিপি পেয়েছেন তাঁরা। যদিও সংশ্লিষ্ট পোস্টের সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

Advertisement

সমাজমাধ্যমে পড়ুয়ারা তাঁদের অভিযোগের সঙ্গে খাতার প্রতিলিপিগুলিও দেন। দাবি করেন, অন্য কারও খাতার প্রতিলিপি তাঁদের পাঠানো হয়েছে। তাঁরা সঠিক উত্তর লিখেও ভুল খাতার প্রতিলিপি পেয়েছেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু করেছেন নেটাগরিকদের একাংশ। আবার অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারী এক পরীক্ষার্থীর পরিচয় নিয়ে।

চলতি বছরে সিবিএসই দ্বাদশের ফল প্রকাশের পর দেখা যায় পাশের হার ৮৫ শতাংশ। পরীক্ষায় মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় সিবিএসই-কে। বিতর্কের মুখে পরীক্ষার খাতার স্ক্যানড কপি দেখার আবেদনের প্রক্রিয়াও শুরু করে বোর্ড। কিন্তু তাতেও যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে।

Advertisement

এরই মাঝে ২২ মে খাতার প্রতিলিপি দেখার জন্য আর আবেদন করা যাবে না, এমন ভুয়ো খবরের জেরে বিভ্রান্ত হন অনেকেই। বারবার সমাজমাধ্যমে ভুল তথ্য প্রচার করা হচ্ছে বলে পাল্টা দাবি করে সিবিএসই। বোর্ডের তরফে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পরীক্ষা সংক্রান্ত যে কোনও বিষয়ে সঠিক তথ্য জানার জন্য পড়ুয়া এবং অভিভাবকেরা যেন বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইট এবং সমাজমাধ্যমের পাতায় নজর রাখেন। সেখানেই পরীক্ষার মূল্যায়ন সংক্রান্ত সব তথ্য জানানো হবে।

উল্লেখ্য, চলতি শিক্ষাবর্ষেই প্রথম অন-স্ক্রিন মার্কিং (ওএসএম) পদ্ধতিতে খাতা দেখা শুরু হয়েছে। তাতেই প্রায় ৯৮ লক্ষ খাতা ডিজিটাল পদ্ধতিতে স্ক্যান করা হয়েছিল। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছিল স্ক্যানিং করতে সমস্যা হয়েছিল প্রায় ৬৮ হাজার খাতার। পরে সেই সংখ্যা বদলায়, জানানো হয় মাত্র ১৩ হাজার খাতা স্ক্যান করতে সমস্যা হয়েছে। যে সমস্ত পরীক্ষা হালকা কালির কলম ব্যবহার করেছেন, তাঁদের খাতার ক্ষেত্রেই এই সমস্যা হয়েছিল বলে দাবি করে বোর্ড।

এর আগেও পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে কিউআর কোড নিয়ে সমস্যার কথা সমাজমাধ্যমেই জানিয়েছিলেন পরীক্ষার্থীরা। সেই সময়ও বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছিল, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। দ্বাদশের খাতার মূল্যায়ন নিয়েও একই ভাবে বোর্ডের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে, খাতা মূল্যায়ন এবং পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় ন্যায্যতা এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখবে বোর্ড।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement