JNU

সুপ্রিম স্থগিতাদেশই সার! সমতার বিধি চালুর দাবিতে সরব জেএনইউ-সহ অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা

গত জানুয়ারিতে ইউজিসি-র তরফে ‘প্রোমোশন অফ ইকুইটি ইন হায়ার এডুকেশন ইনস্টিটিউশন’ বিধিমালা প্রকাশ করা হয়, যেখানে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ বা অন্য যে কোনও রকম পরিচয়ভিত্তিক অসাম্য দূর করতে একাধিক পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়া হয়।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:২৩
Share:

ইউজিসি। ছবি: সংগৃহীত।

সুপ্রিম স্থগিতাদেশের পরও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর বৈষম্যবিরোধী সমতার বিধি নিয়ে বিতর্ক থামছে না। এক দিকে যেমন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা এর বিরোধিতা করেছে। অন্য দিকে, দেশের প্রথম সারির কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা বিধিমালা কার্যকর করার দাবিতে সরব হয়েছে।

Advertisement

গত জানুয়ারিতে ইউজিসি-র তরফে ‘প্রোমোশন অফ ইকুইটি ইন হায়ার এডুকেশন ইনস্টিটিউশন’ বিধিমালা প্রকাশ করা হয়, যেখানে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ বা অন্য যে কোনও রকম পরিচয়ভিত্তিক অসাম্য দূর করতে একাধিক পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়া হয়। এর প্রতিবাদ জানিয়ে দিল্লিতে ইউজিসি-র সদর দফতরের বাইরে জড়ো হন পড়ুয়ারা। দেশ জুড়ে বিতর্কের আবহে বৈষম্যবিরোধী নয়া বিধির উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। কিন্তু এর পরেও বিক্ষোভ হয়েছে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়(জেএনইউ), দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে। জাতপাত বা অন্য রকম ভেদাভেদের পরিবর্তে সমতা প্রতিষ্ঠার দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের পড়ুয়ারা।

দেশের অন্যতম সেরা প্রতিষ্ঠান জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা মশাল মিছিল করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। বারাক হস্টেল থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল দ্বার পর্যন্ত মিছিল করেন তাঁরা। মনুবাদ এবং বাহ্মণ্যবাদ বিরোধী স্লোগান তুলে কুশপুত্তলিকাও পোড়ান প্রতিবাদীরা। তাঁদের দাবি, শীঘ্রই নয়া বিধি কার্যকর করতে হবে। একই সঙ্গে সমতার বিধি চালু না হলে বিক্ষোভের আঁচ ক্যাম্পাস থেকে রাজপথে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

Advertisement

অন্য দিকে, বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের তফশিলি জাতি, উপজাতি এবং অনগ্রসর শ্রেণির পড়ুয়ারাও প্ল্যাকার্ড হাতে মিছিলের আয়োজন করেন। বিধি মতো, প্রতিটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘ইকুয়াল অপারচুনিটি সেন্টার’ গঠন, ‘ইকুইটি কমিটি’ গঠন এবং ২৪ ঘণ্টার ‘ইক্যুইটি হেল্পলাইন নম্বর’ চালু করার দাবি জানায়।

একই দৃশ্য দেখা গিয়েছে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের পড়ুয়ারা প্রান্তিক পড়ুয়াদের স্বার্থ রক্ষার্থে দ্রুত বিধি কার্যকর করার জন্য মিছিলের ডাক দেয়। শুধু ছাত্র সংগঠন নয়, তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠনও বিধি কার্যকর করার পক্ষে দাবি তুলেছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement