কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় । ছবি: সংগৃহীত।
২০২৩ থেকে শুরু হয়েছে চার বছর ডিগ্রি কোর্স। সে বছর কলেজে ভর্তি হওয়া পড়ুয়ারা নতুন শিক্ষা নীতি অনুযায়ী ২০২৬-এ চতুর্থ বর্ষে অনার্স বা অনার্স উইথ রিসার্চ করতে পারবেন।
কিন্তু সব কলেজে অনার্স উইথ রিসার্চ করানো হবে না। পরিকাঠামোগত বিষয়টি খতিয়ে দেখে কোন কোন কলেজে তা পড়ানো হবে, স্থির করবে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। সেই লক্ষ্যে অধীনস্থ কলেজগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসলেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
সোমবার কলকাতা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়। আপাতত স্থির হয়েছে, যদি কোনও কলেজ কোনও বিষয়ে অনার্স উইথ রিসার্চ করাতে চায়, তা হলে ওই বিষয়ের অন্তত দু'জন শিক্ষক থাকতে হবে, যাঁদের পিএইচডি সম্পূর্ণ হয়েছে।
মঙ্গলবার এই বৈঠকই হবে হাওড়া ও হুগলির বিভিন্ন কলেজের সঙ্গে। তার পর নির্দেশিকা প্রকাশ করা হবে বলে বিশ্ববিদ্যালয়সূত্রে খবর। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আশুতোষ ঘোষ জানান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নির্দেশিকা মেনেই তাঁরা দ্রুত এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চান। মঙ্গলবারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতক স্তরে জাতীয় শিক্ষা নীতি চালু করেছে। সেই হিসেবে চলতি বছর যাঁরা স্নাতকের ষষ্ঠ সেমেস্টার ৭৫ শতাংশ পাবেন তাঁরা চতুর্থ বর্ষে অনার্স উইথ রিসার্চ করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে তাঁরা ৪ বছরের স্নাতক শেষ করে সরাসরি গবেষণা অর্থাৎ পিএইচডি-র জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন। তাই বিশ্ববিদ্যালয় দেখে নিতে চাইছে, কোন কোন কলেজকে অনার্স উইথ রিসার্চ কোর্স করার অনুমতি দেওয়া যায়।
এ প্রসঙ্গে লেডি ব্রেবোর্ন কলেজের অধ্যক্ষ শিউলি সরকার বলেন, ‘‘আমরা আমাদের তরফ থেকে সব জানিয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয় কিছু নথি চেয়েছে, সে সব দিয়েছি। পরবর্তী নির্দেশের জন্য অপেক্ষা করছি।’’
তবে যদি কোনও পড়ুয়া তিন বছরের স্নাতক শেষ করে দুবছরের স্নাতকোত্তর করতে চান, তা হলে ষষ্ঠ সেমিস্টারের আগেই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশিকা পরীক্ষা দিতে পারবেন।নিউ আলিপুর কলেজের অধ্যক্ষ জয়দীপ ষড়ঙ্গি জানান, কোনও বিভাগের দু'জন পিএইচডি শিক্ষকের শর্ত পূরণের ক্ষেত্রে অধ্যক্ষকে তালিকায় রাখা যাবে। তিনি বলেন, ‘‘আশা করছি বিশ্ববিদ্যালয় নির্দিষ্ট নির্দেশিকা দেবে। অসুবিধা হবে না।’’