গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
প্রশ্নফাঁস বলতে কী বোঝানো হচ্ছে? কেন্দ্রের শিক্ষা, নারী, শিশু, যুব এবং ক্রীড়া বিষয়ক লোকসভার স্ট্যান্ডিং কমিটি ব্যাখ্যা চাইল ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি-এর (এনটিএ) কাছে। ২০১৮ থেকে এখনও পর্যন্ত কোন কোন পরীক্ষায় এমন ঘটনা ঘটেছে, তার লিখিত রিপোর্ট জমা দিতে হবে পরীক্ষা নিয়ামক সংস্থাকে।
সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, পরীক্ষায় কেন এবং কী ভাবে এই প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটে, তার ব্যাখ্যা দিতে হবে এনটিএ-কে। কমিটির তরফে জুনের প্রথম সপ্তাহ থেকেই পরীক্ষায় অনিয়ম এবং প্রশ্নফাঁসের মতো অভিযোগ খতিয়ে দেখতে বিশেষ বৈঠক শুরু হয়েছে। তাতে বিভিন্ন সময়ে পড়ুয়া, পরীক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত আধিকারিকদের ডেকে দফায় দফায় প্রশ্ন করা হচ্ছে। সত্যিই আয়োজক সংস্থার গাফিলতিতে এই ঘটনা ঘটেছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন কমিটির সদস্যরা।
এনটিএ-কে যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে, তাতে ২০২৪-এর প্রশ্নফাঁস সংক্রান্ত সব তথ্যের উল্লেখ করতে হবে লিখিত রিপোর্টে। উল্লেখ্য, এই ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব সিবিআই-এর হাতে দেওয়া হয়েছিল। তদন্তে কী কী বিষয় জানা গিয়েছিল, তা-ও বিশদে লিখে দিতে হবে আয়োজক সংস্থাকে। একই সঙ্গে রাধাকৃষ্ণন কমিটি-র পরামর্শ মেনে এনটিএ কী কী পরিবর্তন করেছে, তা জানাতে হবে কমিটিকে।
এ ছাড়াও এনটিএ বেসরকারি সংস্থার উপর পরীক্ষা ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দিয়ে থাকে। তাই এ বার সেই বিষয়েও বিশদ তথ্য জানতে চায় কেন্দ্রীয় কমিটি। শেষ তিন বছরে এনটিএ কোন বিভাগে কতজন কর্মী নিয়োগ করেছে, তাঁদের কোন কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে— তা খতিয়ে দেখবে কমিটি। পাশাপাশি, শেষ কবে শিক্ষামন্ত্রকের কাছে বার্ষিক রিপোর্ট পাঠিয়েছে ওই সংস্থা, তার তথ্যও জানতে চাওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, পরীক্ষার স্বচ্ছতা সংক্রান্ত তদন্তে সিবিএসই-র উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিকদেরও ডেকে পাঠানো হয়েছে।