নোবেল জয়ী জার্মান লেখক গুন্টার গ্রাস প্রয়াত

চলে গেলেন গুন্টার গ্রাস। সোমবার জার্মানি-র লুবেক-এর এক হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। মৃত্যুর সময় বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। ভাস্কর্য, গ্রাফিক আর্ট থেকে কবিতা, নাটক, উপন্যাস— নানা ক্ষেত্রে ছিল গ্রাসের অবাধ বিচরণ। তবে নাজি সময় নিয়ে ১৯৫৯-এ তাঁর লেখা ‘দ্য টিন ড্রাম’ উপন্যাসটি আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দেয়।

Advertisement

সংবাদ সংস্থা

শেষ আপডেট: ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ১৭:৫২
Share:

হামবুর্গে নিজের বই প্রকাশে গ্রাস। ছবি: এএফপি।

চলে গেলেন গুন্টার গ্রাস। সোমবার জার্মানি-র লুবেক-এর এক হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। মৃত্যুর সময় বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।

Advertisement

ভাস্কর্য, গ্রাফিক আর্ট থেকে কবিতা, নাটক, উপন্যাস— নানা ক্ষেত্রে ছিল গ্রাসের অবাধ বিচরণ। তবে নাজি সময় নিয়ে ১৯৫৯-এ তাঁর লেখা ‘দ্য টিন ড্রাম’ উপন্যাসটি আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দেয়। ১৯৯৯ সালে নোবেল পুরস্কার পান তিনি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর জার্মান সাহিত্যে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয়। তাঁর মৃত্যুর খবর প্রচারিত হওয়া পরে ট্যুইটারে দুঃখ প্রকাশ করেন সলমন রু‌শদি। তাঁকে নিজের সাহিত্যেকর্মের অনুপ্রেরণা এবং অন্যতম বন্ধু হিসেবে বর্ণনা করেছেন রুশদি।

১৯২৭-এ জার্মানির ডানজিগে গুন্টার গ্রাসের জন্ম। ১৬ বছর বয়সে তিনি নাজি বাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য হন। ট্যাঙ্কের ‘গানার’ হিসেবে কাজ করতেন তিনি। জীবনের এই পর্বের কথা প্রথমে না বললেও ২০০৬-এ আত্মজীবনীতে সবই প্রকাশ করেন তিনি। এ নিয়ে তাঁর সমালোচনাও হয়েছিল।

Advertisement

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে বার্লিন ও ডুসেলডর্ফে ভাস্কর্য এবং শিল্পকলা নিয়ে পড়াশোনা করেন গ্রাস। ১৯৫৬-য় তিনি প্যারিসে পাড়ি দেন। সেখানেই বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে জার্মানি নিয়ে উপন্যাস লেখা শুরু। এই উপন্যাসে এক বালক, যে কখনই বড় হয় না, সে সেই সময়ের জার্মানিকে দেখে। এই উপন্যাসটি-ই ‘দ্য টিন ড্রাম’। ‘দ্য টিন ড্রাম’ নিয়ে জার্মানিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। ডুসেলডর্ফে ‘ট্য টিন ড্রাম’-এর কপি পোড়ানোও হয়েছিল। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে হু হু করে বিক্রি হতে থাকে উপন্যাসটি।

শুধু সাহিত্য বা শিল্পই নয় সামাজিক ন্যায়, শান্তি এবং পরিবেশ নিয়ে নানা আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন তিনি। এ বিষয়গুলি নিয়ে মতামত প্রকাশে কখনই দ্বিধা ছিল না গ্রাসের। কলকাতাতেও বেশ কিছু দিন কাটিয়েছেন তিনি।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement