প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভায় উপস্থিত অনন্ত মহারাজ ও বংশীবদন বর্মণ। — নিজস্ব চিত্র।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে গত ২১ ফেব্রুয়ারি ‘বঙ্গবিভূষণ’ পুরস্কার নিয়েছিলেন রাজ্যসভার বিজেপি সাংসদ তথা গ্রেটার কোচবিহার নেতা অনন্ত মহারাজ (নগেন্দ্র রায়)। তার পর থেকে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল পদ্মশিবিরের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব তৈরি হয়েছে। সেই তাঁকেই দেখা গেল কোচবিহারের রাসমেলা ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভা মঞ্চে। ওই মঞ্চেই দেখা গেল ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে সমর্থন করা ও সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া গ্রেটার কোচবিহার নেতা বংশীবদন বর্মণকেও।
শীতলকুচি বিধানসভায় অনন্তের ‘স্নেহধন্য’ হরিহর দাস তৃণমূল প্রার্থী। এই কেন্দ্র-সহ কোচবিহার জেলার সমস্ত কেন্দ্রেই রাজবংশী ভোট বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তাই রাজনৈতিক দলের বিশেষ নজর থাকে এই ‘ভোট ব্যাঙ্কে’। এই পরিস্থিতিতে রাজবংশী ভোট নিজেদের দখলে রাখতে মরিয়া বিজেপি।
সভাস্থলে বিজেপি ও গ্রেটার কোচবিহার সংগঠনের পতাকা। — নিজস্ব চিত্র।
চলতি বছরের ২৪ মার্চ বিজেপি-কে সমর্থনের কথা জানিয়েছিলেন বংশী। তার পরে তাঁকে রবিবার দেখা গেল মোদীর সভায়। পয়লা এপ্রিল শীতলকুচি বিধানসভা কেন্দ্রে জনসভা থেকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, হরিহর যেমন তৃণমূলের প্রার্থী তেমনই অনন্তেরও প্রার্থী। সেই অনন্তকেও দেখা গেল মোদীর সভায়।
সভার পরে বংশী বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তাই গিয়েছিলাম। কিন্তু সময়ের অভাবের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কোনও কথা হয়নি। কথা বলার সুযোগ পাওয়া গেলে রাজবংশীদের জন্য অনেক কিছু বলার ছিল।’’