মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিয়ো। — ফাইল চিত্র।
সালটা ২০১২। কলকাতায় এসেছিলেন তৎকালীন মার্কিন বিদেশসচিব হিলারি ক্লিন্টন। ১৪ বছর পর আবার এক মার্কিন বিদেশসচিব কলকাতায় আসছেন। এক দিনের সফরে আমেরিকার বিদেশসচিব মার্কো রুবিয়োর একাধিক কর্মসূচি রয়েছে।
শনিবার তিন দিনের ভারত সফরে আসছেন রুবিয়ো। তাঁর এই সফর শুরু হচ্ছে কলকাতা দিয়ে। জানা গিয়েছে, শনিবার সকাল ৭টা নাগাদ তাঁর বিমান নামবে কলকাতা বিমানবন্দরে। কর্মসূচি সেরে আবার দুপুরেই দিল্লির বিমানে উঠবেন তিনি। শনিবার কলকাতায় তাঁর কী কী কর্মসূচি রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট ভাবে জানা যায়নি।
২০১২ সালে ক্লিন্টন যখন কলকাতায় এসেছিলেন, তখন রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। রাজ্যে পালাবদলের পর পশ্চিমবঙ্গে এখন সরকারে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রুবিয়োর এই সফরে শুভেন্দুর সঙ্গে সাক্ষাতের কোনও পরিকল্পনা আছে কি না, তা এখনও জানা যায়নি। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরেই রুবিয়োর কলকাতা সফর তাৎপর্যপূর্ণ বলে মত সংশ্লিষ্ট সব শিবিরের।
২৩ থেকে ২৬ মে ভারতে থাকার কথা ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের কর্তা রুবিয়োর। তাঁর এই আসন্ন সফর নিয়ে উচ্ছ্বসিত ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর। শুক্রবার রাতে এক্স পোস্টে তিনি লেখেন, ‘‘আমেরিকার বিদেশসচিব মার্কো রুবিয়োর থেকে ফোন পেলাম। জানালেন, তিনি ভারতের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। এই সফর নিয়ে আমি খুবই উত্তেজিত।’’ রবিবার ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রুবিয়োর। পাশাপাশি, কোয়াড গোষ্ঠীর বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকেও যোগ দেবেন তিনি। কলকাতা, দিল্লি ছাড়াও রুবিয়ো এই সফরে আগরা এবং জয়পুরেও যেতে পারেন।
ভারতে আসার আগে রুবিয়ো বলেন, ‘‘ভারতের সঙ্গে কাজ করার অনেক সুযোগ আছে। তারা আমাদের বন্ধু এবং অন্যতম অংশীদারও। আমরা তাদের সঙ্গে অনেক কাজ করি। এই সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’’
কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি এবং তার অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়েও আলোচনা হতে পারে রুবিয়োর সফরে। বিশেষ করে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।