—প্রতীকী চিত্র।
হাওড়ার ডোমজুড়ের জগদীশপুরে এক মুরগির মাংস বিক্রেতাকে হেনস্থার অভিযোগ উঠল ডোমজুড়ের বিজেপি প্রার্থী গোবিন্দ হাজরার বিরুদ্ধে। অভিযোগ, তিনি ওই মাংস বিক্রেতাকে বাংলাদেশি, রোহিঙ্গা, জেহাদি বলে আক্রমণ করে এলাকা থেকে দোকান তুলে দেন। ঘটনাটি গত বৃহস্পতিবার ঘটলেও তার ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয় শুক্রবার। তৃণমূলের বক্তব্য, এই বিজেপি সরকার গড়লে পশ্চিমবাংলার মানুষকে আর মাছ-মাংস খেতে দেবে না।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূমের লাভপুরের বাসিন্দা ওই মাংস-ব্যবসায়ী গত দেড় বছর ধরে জগদীশপুর বাজারের কাছে রাস্তার ধারে মুরগির মাংস বিক্রি করেন। এত দিন কোনও সমস্যা হয়নি। কিন্তু বৃহস্পতিবার দুপুরে ডোমজুড় কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সদলবলে এসে তাঁকে হেনস্থা শুরু করেন।
ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োয় শোনা গিয়েছে মুরগি ব্যবসায়ীকে বিজেপি প্রার্থী বলছেন, ‘‘তুমি জেহাদি, বাংলাদেশি, রোহিঙ্গা হয়ে কোন সাহসে রাস্তায় মুরগির মাংসের দোকান খুলে ব্যবসা করছ?’’ এই বলে তিনি সদলবলে ওই ব্যবসায়ীর গুমটি রাস্তার উল্টো দিকে সরিয়ে দেন।
শনিবার ওই মাংসবিক্রেতা বলেন, ‘‘লাভপুরে গ্রামের বাড়িতে আমার নিজের ও পরিবারের সকলের ভোটার লিস্টে নাম আছে। এসআইআরের পরেও পরিবারের সকলের নাম আছে। তার পরেও আমাকে বাংলাদেশি, রোহিঙ্গা এ সব বলা হচ্ছে।’’
ডোমজুড়ের তাপস মাইতি বলেন, ‘‘সংখ্যালঘু ভাইদের বাংলাদেশি, জেহাদি, রোহিঙ্গা বলে তাড়িয়ে দেওয়াই তো বিজেপির কাজ। এর বিচার ভোটের ময়দানে মানুষ করবেন।’’ বিজেপি প্রার্থীর যদিও দাবি, ‘‘তৃণমূল ইচ্ছা করে আমার বাড়ির দরজা আটকে ওই মাংস বিক্রেতাকে বসিয়েছে। যাতে আমি বাড়িতে ঢুকতে না পারি। এরা আসলে বাংলাদেশি, রোহিঙ্গা, জেহাদি। তৃণমূল ভোট পাবে বলে এদের রাজ্যে ঢুকিয়েছে।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে