West Bengal Elections 2026

ভবানীপুরের রিটার্নিং অফিসারের পদ থেকে সরানো হল নন্দীগ্রামের সেই বিডিও-কে? শুভেন্দু-ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে কমিশনে গিয়েছিল তৃণমূল

মঙ্গলবার রিটার্নিং অফিসার হিসাবে নন্দীগ্রামের বিডিও সুরজিৎ রায়ের নিয়োগ নিয়ে সরব হয় তৃণমূল। তৃণমূলনেত্রী মমতা স্বয়ং বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করেন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ মার্চ ২০২৬ ২২:১৯
Share:

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

তৃণমূলের দাবিতে সাড়া দিয়ে বুধবার নন্দীগ্রামের ‘শুভেন্দু-ঘনিষ্ঠ’ বিডিও-কে ভবানীপুরে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব থেকে সরানোর সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের? রাজ্যের মুখ্যসচিবের কাছে চিঠি পাঠিয়ে বিকল্প তিন জনের নাম চেয়ে পাঠানো হয়েছে। যদিও, এই বিষয়ে সিইও দফতরে জানতে চাওয়া হয়েছিল। তারা জানিয়েছে, ভবানীপুরের রিটার্নিং অফিসার সরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে তাদের কিছু জানা নেই।

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর মহারণের কারণে গোটা রাজ্যের নজর এই বিধানসভা কেন্দ্রের দিকে। সেই ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক দানা বাঁধে। মঙ্গলবার রিটার্নিং অফিসার হিসাবে নন্দীগ্রামের বিডিও সুরজিৎ রায়ের নিয়োগ নিয়ে সরব হয় তৃণমূল। তৃণমূলনেত্রী মমতা স্বয়ং এ নিয়ে কমিশনকে নিশানা করেন। তার পরেই ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের রিটার্নিং অফিসার হিসাবে তাঁর নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরাসরি চিঠি পাঠানো হয় দিল্লির নির্বাচন সদনে। সেই সঙ্গে ওই চিঠির প্রতিলিপি দেওয়া হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালকেও।

কেরলে কমিশনের চিঠিতে বিজেপির প্রতীক নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি রিটার্নিং অফিসার বদল নিয়েও মঙ্গলবার তোপ দাগেন মমতা। তিনি বলেন, ‘‘কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে বিজেপির ভোটের প্রতীক! ইসি তাহলে কার ইশারায় চলছে? নন্দীগ্রামের বিডিও চলে আসছেন ভবানীপুরে। ৭৩ জন রিটার্নিং অফিসার বদল হয়েছেন। ব্যাকডোর থেকে খেলছেন কেন?’’ তৃণমূলের জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য তথা রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও ব্রায়েন বুধবার দাবি করেছিলেন, এই নিয়োগ ভোটের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। তাঁর অভিযোগ ছিল, সুরজিৎ আদতে বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারির ঘনিষ্ঠ। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুরজিৎ পূর্বে নন্দীগ্রাম-২ ব্লকের বিডিও হিসাবে কর্মরত ছিলেন। সেখানে তাঁর কাজকর্ম ও রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল বলে দাবি তৃণমূলের। অভিযোগের প্রতিক্রিয়ায় কমিশনের সচিব সুজিতকুমার মিশ্র বুধবার রাতে বিকল্প নাম চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছিলেন নবান্নে।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement