— প্রতীকী চিত্র।
ইভিএমে কারচুপির চেষ্টার অভিযোগকে ঘিরে শনিবার রাতে মধ্য হাওড়ার বিবেকানন্দ ইনস্টিটিউশন স্কুলের গণনাকেন্দ্রের সামনে উত্তেজনা ছড়াল। এই গণনা কেন্দ্রে আজ, সোমবার জগৎবল্লভপুর, সাঁকরাইল ও ডোমজুড় বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট গণনা হবে। শনিবার রাত সাড়ে ১০টায় জগৎবল্লভপুরের তৃণমূল প্রার্থী সুবীর চট্টোপাধ্যায় গণনাকেন্দ্রে এসে অভিযোগ করেন, স্ট্রং রুমে নির্মাণকাজ করার নামে বিজেপি অচেনা লোকজন ঢুকিয়ে ইভিএমে কারচুপি করার চেষ্টা করছে। এই কাজ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাতে গণনা কেন্দ্রের সামনে তৃণমূলকর্মীরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। বেশি রাতে নির্বাচন কমিশন কাজ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
জেলা নির্বাচন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নিরাপত্তার জন্য জগৎবল্লভপুর কেন্দ্রের স্ট্রং রুমের পাশে একটি প্লাইউডের দেওয়াল ভেঙে ইটের পাঁচিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সেই জন্য কয়েক জন নির্মাণকর্মী সেখানে কাজ শুরু করেছিলেন। কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনীতে থাকা স্ট্রং রুমের ভিতরে নির্মাণকর্মীরা ঢুকেছেন, এই খবর পেয়ে রাতেই সেখানে দলীয় কর্মীদের নিয়ে পৌঁছন জগৎবল্লভপুরের তৃণমূল প্রার্থী।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘‘সারা দিনের পর রাত ১১টার সময়ে রাজ্য পূর্ত দফতরের ২০-২৫ জননির্মাণকর্মীকে স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা বলয়ে ঢুকিয়ে কী করে নির্মাণকাজ করার অনুমতি দিল কমিশন?’’ তাঁর অভিযোগ, কোনও প্রার্থী বা প্রার্থীর এজেন্টকে না জানিয়েই এই কাজ করছে নির্বাচন কমিশন। আসলে বিজেপি ইভিএমে কারচুপির জন্যই লোক ঢুকিয়েছে। অবিলম্বে কাজ বন্ধ করার দাবি তোলেন তিনি। ওই গণনা কেন্দ্রের সামনে থেকেই তিনি জেলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক তথা জেলাশাসক পি দীপাপ প্রিয়াকে ফোন করে অভিযোগ জানান। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, এই কাজ করার জন্য দু’টি সিসি ক্যামেরাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূল প্রার্থীর কাছ থেকে এই অভিযোগ পাওয়ার পর রাতেই নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয় কমিশন। এ বিষয়ে ওই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অনুপম ঘোষ বলেন, ‘‘স্ট্রং রুমের নিরাপত্তার বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের আওতায়। এ বিষয়ে আমার বলার কিছু নেই। তবে তৃণমূল যে হেরে বসে আছে, তা এ সব কার্যকলাপ দেখেই বোঝা যায়।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে