(বাঁ দিকে) রণবীর সিংহ, (ডান দিকে) অনুপম খের। ছবি: সংগৃহীত।
১৯ মার্চ মুক্তি পেয়েছে ‘ধুরন্ধর ২’। এই ছবির প্রথম পর্ব মুক্তি পেয়েছিল মাস তিনেক আগে। মুক্তির সময় থেকে এই ছবিকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক। পক্ষে, বিপক্ষে বিভক্ত। কেউ বলছেন, এটা ‘প্রোপাগান্ডা’ ছবি। কারও মতে, এই ছবি জাতীয়তাবাদ দেশভক্তিতে পূর্ণ। এ বার ‘ধুরন্ধর ২’ মুক্তির পর মুখ খুললেন অনুপম খের। সমালোচনা করলেন তাঁদের, যাঁরা এই ছবিকে ‘প্রোপাগান্ডা’ বলে দাগিয়েছেন। প্রতিক্রিয়া এল রণবীর সিংহের তরফেও।
সম্প্রতি ‘ধুরন্ধর’ ২ দেখে একটি ভিডিয়ো করেন অনুপম। সেখানেই তিনি বলেন, ‘‘আদিত্য ধর অনবদ্য! কখনও কখনও, ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। সিনেমা দেখে বেরোনোর পর... আপনার অন্তরে এমন এক নীরবতা নেমে আসে যা সব কিছু বলে দেয়, অথচ কিছুই ব্যাখ্যা করে না। 'ধুরন্ধর' দেখার অনুভূতিটা ঠিক এমনই ছিল। এটি নিছক একটি সিনেমা নয়, এটি একটি অভিজ্ঞতা। একটি আবেগ। এমন এক যাত্রা, যা নিঃশব্দে আপনার হৃদয়ে প্রবেশ করে এবং তার পর আর বার হতে চায় না। ‘ধুরন্ধর’-এ এমন কিছু মুহূর্ত আছে যা শুধু পর্দাতেই সীমাবদ্ধ থাকে না—আলো নিবে যাওয়ার অনেক পরেও সেগুলো রয়ে যায়।’’
অনুপম সেই সব মানুষের তীব্র সমালোচনা করেছেন, যাঁরা সিনেমাটিকে একপেশে ও প্রচারসর্বস্ব বলে আখ্যা দিয়েছেন। সিনেমাটিকে অসাধারণ আখ্যা দিয়ে অনুপম বলেন, ‘‘এটি এমন একটি সিনেমা, যা নিজের দেশ নিয়ে গর্ববোধ করায়। যাঁরা বলছেন, এটা উগ্র জাতীয়তাবাদ এবং প্রচারণামূলক সিনেমা, তাঁদের জন্য আমার খুব খারাপ লাগছে। তাঁদের জন্য আমার করুণা হয়। প্রথমে, ছবিটি দেখার আগে, আমি রেগে গিয়েছিলাম কারণ তাঁরা ‘ দ্য কাশ্মীর ফাইল্স’-কে একটি প্রচারণামূলক সিনেমা বলার চেষ্টা করেছিলেন। এখন যাঁরা একে প্রচারণামূলক সিনেমা বলেছেন, তাঁদের নিজেদেরই লজ্জা পাওয়া উচিত। আপনার যদি এমন সিনেমা সহ্য না হয়, তা হলে আপনিও এমন একটি সিনেমা বানিয়ে ফেলুন। কিছু টাকা বিনিয়োগ করুন এবং কিছু লেখক নিয়োগ করুন।”
রণবীরের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন অনুপম। তিনি অভিনয়ের শিক্ষক। অনুপম জানিয়েছেন, কিছু জায়গায় রণবীরের অভিনয় তাঁকে নাড়া দিয়ে গিয়েছে। অনুপমের থেকে এমন প্রশংসা পেয়ে রণবীর বলেন, ‘‘ আপনার কাছে এমন কথা শুনে যেন আমার শব্দ কম পড়ছে। আমি আমার অভিনয় থেকে শিখি, আপনি যা বললেন আমাকে নিয়ে, তাতে আমি কৃতজ্ঞ। আপনাকে শতকোটি প্রণাম।’’