কেন রাজি হলেন পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়? ছবি: সংগৃহীত।
‘বয়েই গেলো’, ‘সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে’, ‘প্রলয় আসছে’— এমন অনেক ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন অভিনেতা পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাও কেটে গেল বেশ কয়েকটা বছর। মাঝে বহু দিন ছোটপর্দায় অভিনয় করেননি তিনি। ‘সংসার সংকীর্তন’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে আবার ছোটপর্দায় প্রবীণ অভিনেতা। কেন হঠাৎ ধারাবাহিকে অভিনয় করতে রাজি হলেন তিনি?
এই নতুন কাহিনিতে দর্শক দেখবে ঘটি-বাঙালের জোর টক্কর। কৌতুকধর্মী কাহিনির মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন সব্যসাচী চৌধুরী এবং মানালি দে। এক দিকে নায়ক-নায়িকার জুটি আর অন্য দিকে দেখা যাবে পরাণ এবং শুভাশিস মুখোপাধ্যায়ের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। সাধারণত, অনেকেই এখন ছোটপর্দায় অভিনয় করতে চান না। সে ক্ষেত্রে এত বছর পরে কেন হঠাৎ রাজি হলেন পরাণ?
অভিনেতা বললেন, “এই প্রযোজনা সংস্থার দু’টি ছবিতে আমি কাজ করেছি। ‘কীর্তন’ আর ‘কীর্তনের পর কীর্তন’। দু’টি ছবি খুবই আলোচিত হয়েছে। তখনই ছবির গল্পকে কেন্দ্র করে ধারাবাহিক তৈরির কথা হয়। সেই সময় ওরা আমাকে বলে অভিনয় করার জন্যে। সবাই খুব ভালবাসে এখানে আমাকে। তাই রাজি হয়ে গেলাম। তবে বয়স হয়েছে তো। তাই সেই ১৪ ঘণ্টা কাজ করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই কিছু শর্তও দিতে হয়েছে আমাকে।”
ছোটপর্দায় ঘটি বনাম বাঙাল! ছবি: সংগৃহীত।
দিনে ছ’ঘণ্টার বেশি কাজ করেন না প্রবীণ অভিনেতা। তিনি যোগ করেন, “আমার দৃষ্টিশক্তিও ক্ষীণ হয়ে এসেছে। আর বেশি ক্ষণ কাজ করা সম্ভব নয়। সে কথা বলেই দিয়েছি। মোট ছ’ঘণ্টা বাইরে থাকি। সাড়ে চার ঘণ্টার বেশি শুটিং করতে পারব না। তার মধ্যেই আমাকে দিয়ে করিয়ে নিতে হবে। বয়সও তো হচ্ছে। ভালবাসার টানেই কাজটা করছি।” এই ধারাবাহিকে পরাণ-শুভাশিস জুটিকে একসঙ্গে দেখার অপেক্ষায় সবাই।