(বাঁ দিকে) ‘গ্যাংস্টার’ ছবিতে কঙ্গনা, (ডান ডিকে) বর্তমান সময়ে কঙ্গনা। ছবি: সংগৃহীত।
২০০৬ সালে বলিউডে যাত্রা শুরু কঙ্গনা রনৌতের। সৌজন্যে ‘গ্যাংস্টার’। কিন্তু, ওই ছবির প্রস্তাব না পেলে নাকি ‘অ্যাডাল্ট’ ছবিতে সই করতেন নায়িকা! অনুরাগ বসু পরিচালিত এই ছবিতে একাধিক সাহসী দৃশ্যে দেখা গিয়েছে কঙ্গনাকে। সাহসী পোশাকেও দেখা যায় তাঁকে। যদিও সেই সময়ে তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৭ বা ১৮। মেয়েকে বড়পর্দায় দেখে খুশি হননি কঙ্গনার বাবা-মা। বরং সমাজের ভয় পেয়েছিলেন।
কঙ্গনা জানান, তাঁর গোটা পরিবারের কেউই সিনেমাজগতের সঙ্গে যুক্ত নন। সকলেই পড়াশোনার জগৎ কিংবা রাজনীতির লোক। কঙ্গনার ঠাকুরদা ছিলেন আইএস সমমর্যাদা সম্পন্ন পদের আধিকারী। তাঁর প্রপিতামহ ছিলেন বিধায়ক। তাই ছোটবেলা থেকেই নাকি বাড়িতে সংবাদপত্র এলে তার রঙিন পাতা সরিয়ে রাখা হত। সিনেমার খবর পড়া বা জানার তেমন চল ছিল না কঙ্গনার বাড়িতে। অভিনেত্রীর কথায়, ‘‘আমাদের বাড়িতে খবরের কাগজের সিনেমার পাতা এবং রঙিন সব ছবি সরিয়ে রাখা হত। ও সব রঙিন পাতা দিয়ে ধনেপাতা মুড়িয়ে রাখা হত।’’
‘গ্যাংস্টার’ ছবিটি কঙ্গনার ফিল্মি কেরিয়ারে আশীর্বাদ। একের পর এক ছবিতে কাজের প্রস্তাব পেতে থাকেন। কিন্তু, বাড়ির লোকের থেকে সে ভাবে প্রশংসা পাননি। এমন সাহসী সব দৃশ্যে অভিনয়ে করতে দেখে কঙ্গনার বাবা-মা নাকি বলেছিলেন, ‘‘এই ছোট বয়সে এমন সব দৃশ্যে কাজ করলে, লোকে কী বলবে? সমাজ কী বলবে?’’ যদিও কঙ্গনার কাছে তাঁর অভিনেত্রী জীবনের বড় পুরস্কার হল ‘ক্যুইন’। এই ছবি মুক্তির পর অমিতাভ বচ্চন তাঁকে প্রশংসাসূচক চিঠি পাঠান। নায়িকার কথায়, ওই মুহূর্তের জন্য তিনি শত সমালোচনা সহ্য করতেও রাজি।