Weight Loss Summer Drink

৫ পানীয়ে চুমুক দিলেই মুশকিল আসান! গরমে স্বস্তি মিলবে, সঙ্গে ওজনও কমবে

ওজন ঝরাতে হলেও বেশি করে পানীয় রাখতে হবে ডায়েটে। তবে বাজারজাত এনার্জি ড্রিঙ্ক হোক বা নরম পানীয়, সবেতেই থাকে ভরপুর মাত্রায় চিনি, যা খাওয়া মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়। এমন ৫ পানীয়ের হদিস রইল যা গরমে খেলে শরীর ঠান্ডাও থাকবে, সঙ্গে ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ১১ জুন ২০২৬ ১৮:৩০
Share:

গরমের ৫ পানীয় যা ওজন ঝরাতেও সাহায্য করবে। ছবি: সংগৃহীত।

ওজন কমাতে কেউ দুপুরে এবং রাতে ভাত খাওয়ার পরিমাণ কমিয়েছেন, তো কেউ রাশ টেনেছেন মিষ্টি আর ভাজাভুজিতে। কেউ কেউ এক ধাপ এগিয়ে কড়া ডায়েটের পাশাপাশি শারীরচর্চাও শুরু করেছেন। আপনি যদি এই তালিকাভুক্ত হন, তবে ওজন কমানোর প্রক্রিয়াকে আরও একটু স্বাস্থ্যকর বানিয়ে নিতে পারেন কিছু পানীয় খেয়ে। যা গরম পড়েছে, তাতে শরীরে জলের ঘাটতি হলে কিন্তু চলবে না। ওজন ঝরাতে হলেও বেশি করে পানীয় রাখতে হবে ডায়েটে। তবে বাজারজাত এনার্জি ড্রিঙ্ক হোক বা নরম পানীয়, সবেতেই থাকে ভরপুর মাত্রায় চিনি, যা খাওয়া মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়। এমন ৫ পানীয়ের হদিস রইল যা গরমে খেলে শরীর ঠান্ডাও থাকবে, সঙ্গে ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

Advertisement

১) ডাবের জল: এই পানীয় ইলেকট্রোলাইটের খুব ভাল উৎস। গরমের দিনে নিয়মিত ডাবের জল খেলে শরীরে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমে। পেট ঠান্ডা থাকে। ডাবের জল শরীরে সোডিয়াম, পটাশিয়ামের ভারসাম্য বজায় রাখে। এ ছাড়াও এই জলে ফাইবার, ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ভরপুর মাত্রায় থাকে। এতে ক্যালোরির মাত্রা কম থাকে। তাই গ্রীষ্মের দিনে রোগা হওয়ার ডায়েটে ডাবের জল রাখা যেতেই পারে। শরীর চাঙ্গা থাকবে। তুলসীর বীজ ভিজিয়ে রেখে ডাবের জলের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারলে আরও ভাল।

২) গন্ধরাজ ঘোল: ডায়েট করছেন? দই, গন্ধরাজ লেবু, লেবুপাতা, বিটনুন আর ভাজা জিরের গুঁড়ো দিয়ে তৈরি পাতলা ঘোল গরমের দিনে খেতেই পারেন। ঘোলে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম থাকে। ঘোল পেটের স্বাস্থ্যের জন্যও বেশ উপকারী। শুধু স্বাদ বৃদ্ধির জন্য চিনি, গুড় বা মধু ব্যবহার করবেন না।

Advertisement

৩) শসা-পুদিনার শরবত: গরমের সময়ে শরীর ঠান্ডা রাখতে শসার জবাব নেই। এতে জলের পরিমাণ থাকে অনেক বেশি আর ক্যালোরি প্রায় থাকেই না। তাই শসা দিয়ে বানিয়ে ফেলতে পারেন শরবত। শসা, আদার টুকরো, পুদিনা পাতা একসঙ্গে মিক্সিতে বেটে নিন। এ বার মিশ্রণে বেশ খানিকটা জল, লেবুর রস, বিটনুন আর বরফ মিশিয়ে নিলেই হল।

৪) আমলকি-অ্যালো ভেরার শরবত: অ্যালো ভেরায় অ্যালোইন নামে প্রোটিন আছে। অ্যালোইন সরাসরি চর্বি গলাতে সাহায্য করে না। কিন্তু দেহে জমে থাকা টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে। অ্যালো ভেরায় ভিটামিন বি আছে প্রচুর মাত্রায়, যা মেদ দূর করতে ও ক্যালোরি পোড়াতে সহায়তা করে। অ্যালো ভেরা, আমলকি আর সামান্য আদাকুচি একসঙ্গে বেটে নিন। এ বার সেই মিশ্রণে খানিকটা জল, লেবুর রস, বিটনুন আর বরফ মিশিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে শরবত।

৫) ছাতুর শরবত: ছাতু শরীরে শক্তি জোগায়, প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। হাড় শক্তিশালী করে তুলতেও ছাতুর শরবত অত্যন্ত কার্যকরী। গরমে শরীরও ঠান্ডা রাখে। ছাতু এমনিতে ওজন কমানোর পক্ষে সহায়ক। অনেক পুষ্টিবিদ-ই ওজন কমানোর ডায়েটে ছাতুর শরবত রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকে। ছাতু দীর্ঘ ক্ষণ পেট ভর্তি রাখতে সাহায্য করে। ফলে ঘন ঘন খাবার খাওয়ার প্রবণতা অনেকটাই কমে যায়। ঠান্ডা জলে খুব ভাল করে ছাতু গুলে নিন। এ বার তাতে একে একে ভাজা জিরের গুঁড়ো, বিটনুন, লেবুর রস আর পুদিনাপাতার কুচি মিশিয়ে দিন। এ ভাবে ছাতুর শরবত বানাতে চিনি না দিয়েও খেতে কিন্তু বেশ লাগবে। তবে দুধ, ড্রাই ফ্রুটস্, ঘি এই সব মিশিয়ে ছাতু খেলে অবশ্য ওজন বাড়বে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement