Tips to reduce Belly Fat

ডায়েট করে ওজন কমলেও ভুঁড়ি কমছে না? কারণ কী, কীভাবে কমবে পেটের মেদ, জানালেন করিনার পুষ্টিবিদ

অনেকেই ডায়েট করে ওজন ঝরাতে শুরু করেন। শরীরের বাকি অংশের ফ্যাট কমেলেও, পেটের ফ্যাট কিছুতেই কমতে চায় না। করিনার পুষ্টিবিদ রুজুতা দিবেকরের মতে, ওজন কমলেই যে ভুঁড়ি কমে যাবে, বিষয়টা এত সহজ নয়।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:২৯
Share:

ভুঁড়ি কমবে কী ভাবে? ছবি: সংগৃহীত।

তন্বী সুন্দরীর দিকে তারিফের চোখে তাকাতেন সকলে। ছিপছিপে শরীর, নায়িকাসুলভ কোমরের জন্য প্রশংসা কুড়োতেন পরিচিতদের। বিয়ে এবং সন্তান হওয়ার পর বয়সের সঙ্গে-সঙ্গে কোথা থেকে মেদ এসে ভরে যেতে লাগল শরীরের আনাচকানাচে। বিশেষ করে মধ্যপ্রদেশে। হারিয়ে গেল শরীরের সুদৃশ্য সব বাঁক। অন্যের চোখে আর দেখেন না সেই বাহবা-র ছায়া। হীনন্মন্যতা গ্রাস করতে থাকে মনে অন্দরে। সেই সময় অনেকেই ডায়েট করে ওজন ঝরাতে শুরু করেন। শরীরের বাকি অংশের ফ্যাট কমেলেও, পেটের ফ্যাট কিছুতেই কমতে চায় না।

Advertisement

করিনার পুষ্টিবিদ রুজুতা দিবেকরের মতে, ওজন কমলেই যে ভুঁড়ি কমে যাবে, বিষয়টা এত সহজ নয়। পুষ্টিবিদের বলেন, ‘‘পেট কমাতে হলে শরীরের গটনের উপর নজর দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে হাড়ের গঠন, পেশির শক্তি, শারীরিক ভঙ্গির গুরুত্ব অনেকখানি। সুতরাং সেগুলি আরও উন্নত করতে হবে। যা ডায়েটে সম্ভব নয়, চাই শরীরচর্চাও।’’

সমতল পেটের জন্য রুজুতা তিন ধরনের ব্যায়াম করার পরামর্শ দিয়েছেন।

Advertisement

ফ্রন্ট স্কোয়াট: হাতে একটা ডাম্বেল বা কেট্‌লবেল নিয়ে কিংবা বুকের কাছে দু’হাত ক্রস করে স্কোয়াট করতে হবে। এটি আপনার কোয়াড্রিসেপস (উরুর সামনের পেশি) শক্তিশালী করতে এবং ফিমার (উরুর হাড়)-এর ঘনত্ব বাড়াতে সাহায্য করে। এতে হাড়ের গঠন মজবুত হয়, ভাঙার সম্ভাবনাও কমে যায়। তা ছাড়া, শক্তিশালী পা শরীরে উন্নত দেহভঙ্গি ও স্থিতিশীলতা প্রদান করে, যার কারণে পেট চ্যাপ্টা দেখায়।

পশ্চিমোত্তাসন: ‘পশ্চিম’ মানে শরীরের পশ্চাৎদেশ আর ‘উত্তনা’ মানে প্রসারিত করা। নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে, এই আসন করার সময় পশ্চাৎদেশে টান অনুভূত হয়। এ ক্ষেত্রে প্রথমে চিৎ হয়ে শুয়ে দু’ হাত তুলে মাথার দু’ পাশে উপরের দিকে রাখুন। আস্তে আস্তে উঠে বসে সামনে ঝুঁকে দু’ হাত দিয়ে জোড়া পায়ের বুড়ো আঙুল ধরুন। কপাল দু’টি পায়ের মাঝখানে ঠেকান এবং বুক ও পেট ঊরুতে লাগান, হাঁটু ভাঁজ হবে না। এ অবস্থায় শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক রেখে মনে মনে দশ থেকে ক্রমশ বাড়িয়ে তিরিশ গুনুন। তার পর প্রাথমিক অবস্থায় এসে হাত মাথার পাশ থেকে নামিয়ে শবাসনে বিশ্রাম নিন। হজমশক্তি বৃদ্ধি করতে এই আসন দারুণ উপকারী। গ্যাসের কারণেও অনেক সময় পেট ফোলা দেখায়, পশ্চিমোত্তাসনে গ্যাসের সমস্যা কমে। ফলে পেটও খানিকটা সমতল দেখায়।

Advertisement

বার্ড ডগ: ম্যাটের উপর হাঁটুর উপর ভর দিয়ে বসুন, তার পর শরীর সামনের দিকে হেলিয়ে দু’হাত মাটিতে স্পর্শ করুন। এ বার একটি পা হাওয়ায় তুলুন, শরীরের ভারসাম্য ‌ঠিক রেখে বিপরীতের হাতটিও হাওয়ায় তুলে দিন। এ বার হাত-পা বদল করুন। পেশি এবং মেরুদন্ডের জোর বাড়াতে এই ব্যায়াম উপকারী। এতে পেটের উপরেও চাপ পড়ে, ফলে ভুঁড়ি কমে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement