how to stay focused

কফি না খেলে কাজে মন বসে না? মনঃসংযোগ বৃদ্ধি করতে বদলে ফেলুন রোজনামচা

মন ভাল রাখা ও কাজে মনঃসংযোগ বৃদ্ধি করতে অনেকেরই অভ্যাস কাপের পর কাপ কফিতে চুমুক দেওয়া। তবে কফিতে অতিরিক্ত মাত্রায় ক্যাফিন থাকে, যা স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভাল না। জেনে নিন, কফিতে চুমুক না দিয়েই কী ভাবে মনোযোগ ফেরাবেন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৭ মার্চ ২০২৬ ১৬:০২
Share:

মনোযোগ ফেরাতে কফি না খেলেও চলে। ছবি: সংগৃহীত।

কাজে মন বসছে না! এখনকার ব্যস্ত সময়ে এই সমস্যা প্রায় প্রত্যেকের। প্রতি দিন নাকেমুখে কিছু গুঁজেই অফিস। সারা দিন একটানা কাজ। কাজের চাপও কম কিছু নয়। তা নিয়ে মাথায় হাজারটা চিন্তা কিলবিল করে। একটা সময়ে গিয়ে মনে হয়, খুব ক্লান্তি আসছে। একঘেয়েমির জেরে কাজে মনও বসে না। কাজ শুরু করলেই মনে নানা চিন্তা ভিড় করে। অন্যমনস্কতাও এসে যায়। এ দিকে কাজে মন না দিলে ভুলভ্রান্তি হবেই। তাই মন ভাল রাখা ও কাজে মনঃসংযোগ বৃদ্ধি করতে অনেকেরই অভ্যাস কাপের পর কাপ কফিতে চুমুক দেওয়া। তবে কফিতে অতিরিক্ত মাত্রায় ক্যাফিন থাকে, যা স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভাল না। জেনে নিন, কফিতে চুমুক না দিয়েই কী ভাবে মনোযোগ ফেরাবেন।

Advertisement

১) খানিক ক্ষণের বিরতি: মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন এবং অক্সিজেন প্রবাহ উন্নত করার জন্য হাঁটাচলা করার মতো সহজ উপায় আর নেই। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, কাজের মাঝে অল্প সময়ের জন্য হাঁটাচলা করলেও দীর্ঘ ক্ষণ বসে থাকার ফলে সৃষ্ট মানসিক ক্লান্তি দূর হয়। তাই যখনই মনোযোগ হারাবেন, তখন কাজ থেকে বিরতি নিয়ে একটু অফিসের চারপাশটা ঘুরে আসুন। সহকর্মীর ডেস্কে গিয়ে খানিক ক্ষণ গল্প করুন।

২) সকালের রোদ গায়ে মাখুন: সূর্যালোকের সংস্পর্শে এলে মনোযোগ বাড়ে এবং সারা দিনের ঘুমের চক্র নিয়ন্ত্রণেও সূর্যরশ্মির গুণ অনেক। সারা দিন তরতাজা, চনমনে থাকতে রোদ গায়ে মাখতে হবে। এর জন্য ঘুম থেকে উঠে মোবাইল নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি না করে ১০ মিনিটের জন্য হলেও হাঁটতে বেরোন।

Advertisement

৩) জল খান: বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, শরীরে জলের ঘাটতি হলে তার প্রভাব পড়ে মস্তিষ্কের কার্যকারিতার উপর। ডিহাইড্রেশনের কারণেও মনোযোগ কমে যেতে পারে। তাই কাজের ফাঁকে মনে করে জল খেতে হবে। প্রয়োজনে অ্যালার্ম ব্যবহার করতে পারেন। জল ছাড়া ভেষজ চা কিংবা ডিটক্স পানীয়েও চুমুক দিতে পারেন।

৪) ধ্যানে মনোযোগ: দিনে এক বার অন্তত ধ্যান করুন। কাজের চাপের কারণে এড়িয়ে যাবেন না। নিজের জন্য মিনিট দশেক সময় বার করে নিতেই হবে। ধ্যানের অভ্যাস তৈরি হলে যে কোনও কাজেই মন দেওয়া সহজ হবে। এর পাশাপাশি শ্বাসের ব্যায়ামও করতে পারেন, তা হলেও মন শান্ত হবে, মস্তিষ্কের কার্যকারিতাও বৃদ্ধি পাবে।

৫) ঘুমের সঙ্গে আপস নয়: পর্যাপ্ত ঘুম খুব জরুরি। তা হলেই মন ও মস্তিষ্কের ক্লান্তি দূর হবে। একজন প্রাপ্তবয়স্কের সারা দিনে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা টানা ঘুম জরুরি বলেই মনে করেন মনোবিদেরা। ঘুম ভাল হলে দেখবেন, সকালে উঠেও মনমেজাজ খুব তাজা লাগছে। কিন্তু যদি ঘুম ভাল না হয়, রাতভর জেগে মোবাইল, ল্যাপটপ ঘাঁটাঘাঁটি করে ঘুমের বারোটা বাজান, তা হলে দিনভর মেজাজ খিটখিটে থাকবে। অল্পেই ক্লান্তি এসে যাবে। কাজেও মন বসবে না ঠিক করে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement