রোজের খাবারে ভাত অথবা রুটি যেন অবশ্যই থাকে। ছবি: সংগৃহীত
বর্তমানের এই ব্যস্ত জীবনে নিজের যত্ন নেওয়ার সুযোগ খুব কম থাকে। আলাদা করে পরিচর্যা করা তো দূরে থাক, ঠিক করে খাওয়ারই সময় থাকে না। তার উপর কাজের চাপ, পারিবারিক দায়িত্ব, ব্যক্তিগত সমস্যা তো লেগেই আছে। এর ফলে শরীরের উপর যেমন চাপ পড়ে, তেমন মনেও কিন্তু এর প্রভাব পড়ে। শরীর ও মন একসঙ্গে দুর্বল হয়ে পড়লে কাজের গতিও কমে যায়। কাজের গুণগত মানও খারাপ হয়ে যায়। জীবনে ব্যস্ততা থাকবে। তার মাঝেও শরীরের যত্ন নেওয়ার কথা ভুললে চলবে না। শরীরচর্চা করার সময় না থাকলে, শরীর সুস্থ রাখতে জোর দিতে হবে স্বাস্থ্যকর খাওয়াদাওয়ায়। অনেকের ধারণা, পুষ্টিকর খাবার মানেই বেশ দামি, সাধ্যের বাইরে। এমন ভাবনা কিন্তু ভুল। একটু মাথা খাটালেই এমন কিছু খাবারের সন্ধান পাওয়া যাবে যেগুলি ব্যস্ততম দিনেও আপনার শরীরের খেয়াল রাখতে সাহায্য করবে।
১) শাকসব্জি ও ফল
সুস্থ থাকতে সবুজ শাকসব্জি ও ফলের বিকল্প নেই। তাই অফিসের টিফিনে বাইরে থেকে মুখরোচক ভাজাভুজি কিছু না আনিয়ে বরং একটা বা দুটো মরসুমি ফল খান। অল্প সময় বার করে অল্প তেল আর সব্জি দিয়ে বানিয়ে আনতে পারেন কোনও স্বাস্থ্যকর পদ।
২) বিভিন্ন প্রকার ডাল
ডাল অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর একটি খাবার। মুগ, মুসুর, অড়হড়, বিউলির ডাল— অনেক পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ বিভিন্ন প্রকার ডাল কিন্তু চটজলদি পুষ্টি গ্রহণের অন্যতম উৎস। ব্যস্ততা থাকলেও তাই রোজের খাবারে রাখুন ডাল।
ব্যস্ততাতেও তাই কাজের ফাঁকে জল খেতে ভুলবেন না। ছবি: সংগৃহীত
৩) সাদা ভাত ও রুটি
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাদা ভাত খান না অনেকেই। কেউ কেউ আবার এড়িয়ে চলেন রুটিও। কিন্তু ভিতর থেকে সুস্থ থাকতে ভাত, রুটির জুড়ি মেলা ভার। পরিমাণে অল্প হোক, কিন্তু রোজের খাবারে ভাত অথবা রুটি যেন অবশ্যই থাকে।
৪) জল
শরীর আর্দ্র রাখতে ও ত্বকের যত্ন নিতে জল অত্যন্ত অপরিহার্য একটি উপাদান। বাড়ির বাইরে থাকলে অনেকেই জল খেতে ভুলে যান। জল না খাওয়ার অভ্যাসে শরীরে বাসা বাঁধে বিভিন্ন অসুখ। শত ব্যস্ততাতেও তাই কাজের ফাঁকে জল খেতে ভুলবেন না। একেবারে বেশি জল খাওয়ার দরকার নেই। বারে বারে অল্প করে জল খান।
৫) স্বাস্থ্যকর কিছু জলখাবার
মাঝেমাঝে মুখ চালাতে বা এক টানা কাজের পর সন্ধের মুখে হঠাৎ পাওয়া খিদে মেটাতে চপ, শিঙাড়া, পিৎজা, বার্গারের বদলে ভরসা রাখতে পারেন বাদাম, গ্র্যানোলা, ড্রাই ফ্রুটস, প্রোটিন বারের মতো স্বাস্থ্যকর কিছু খাবারে।