রোজকার ভাত-ডাল কতটা স্বাস্থ্যকর? ছবি: সংগৃহীত।
ভাত এবং ডাল খাওয়ার চল ভারতের প্রায় প্রতিটি প্রান্তে। দিনের শেষে ভাত-ডাল খেয়েই তৃপ্তি পান অনেকেই। ডালে রয়েছে প্রোটিন এবং ফাইবার। ভাতও সহজপাচ্য খাবার। কিন্তু ভাত এবং ডাল কতটা স্বাস্থ্যকর?
বলিউড অভিনেত্রী তমন্না ভাটিয়ার ফিটনেস প্রশিক্ষক সিদ্ধার্থ সিংহ বলছেন, এমনিতে ভাত-ডাল ক্ষতিকর নয়। পুষ্টিকর উপাদানও থাকে। কিন্তু যাঁরা ওজন ঝরাতে চাইছেন তাঁদের জন্য এটি উপযুক্ত খাবার নয়। কারণ, ডালে প্রোটিন থাকলেও, তা যথেষ্ট নয়। বরং সিদ্ধার্থের পরামর্শ, ভাত-ডালের সঙ্গে জুড়ে নেওয়া দরকার আরও বেশ কিছু জিনিস, যাতে দুপুরের খাবারে পুষ্টির ভারসাম্য বজায় থাকে।
কী কী জুড়তে হবে?
স্যালাড: পেঁয়াজ, শসা, গাজর, বিট, টম্যাটোর স্যালাড জুড়ে নিন পাতে। এতে থাকে ফাইবার, যা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে দেয় না। ফাইবার খাবার হজমেও সাহায্য করে, তা ছাড়া পেটও ভরিয়ে রাখে।
তরকারি: ভাতের মাত্রা কমিয়ে ডালের পরিমাণ বাড়াতে হবে। আর পাতের অর্ধেক জুড়ে থাকবে টাটকা সব্জি। তেল-মশলা কম দিয়ে তৈরি বিভিন্ন রকম সব্জি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে পাতে রাখা প্রয়োজন। সব্জিতে ফাইবার, ভিটামিন, খনিজ মিলবে।
সাদা ভাতের বদলে ব্রাউন রাইস: সাদা ভাতের বদলে ব্রাউন রাইস খেলে পুষ্টির মাত্রা একটু হলেও বৃদ্ধি পাবে।
প্রোটিন: আমিষ এবং নিরামিষাশীরা ইচ্ছামতো প্রোটিন খাবারও জুড়তে পারেন পাতে। মাছ, মাংস বা ডিম যেমন থাকতে পারে, তেমনই নিরামিষ খেলে রাখা যাবে পনির, টোফু। ডালেও প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড মেলে।
সিদ্ধার্থের কথায়, ভাত-ডাল অস্বাস্থ্যকর নয়। তবে শুধুই ভাত-ডাল খেলে পুষ্টিতে ফাঁক রয়ে যেতে পারে। বরং ভাত-ডালের সঙ্গে আর কোন খাবার খেলে পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখা যায়, সেটি বোঝা জরুরি।