Trisha Krishnan Workout

শুধু হেঁটে আর উপকার মেলে না, ৪২-এর অভিনেত্রীর দাবি কি সত্য? চিকিৎসক শেখাচ্ছেন সহজ কৌশল

দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রির তারকা তৃষার বয়স যেন শুধু ক্যালেন্ডারেই ধরা পড়ে। পর্দায় তাঁকে দেখে বোঝার উপায় নেই। তাই তাঁর ফিটনেস নিয়ে অনুরাগীদের মনে নানা প্রশ্ন জাগে। তারই যেন জবাব দিলেন তৃষা।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬:৩১
Share:

অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণন। ছবি: সংগৃহীত।

এক কালে কেবল হাঁটাহাঁটি করেই শরীর সুস্থ রাখতেন দক্ষিণী তারকা তৃষা কৃষ্ণন। পেশাজীবনে যখন তিনি মধ্যগগনে ছিলেন, তখনও কঠোর শরীরচর্চা নিয়ে ভাবতে হত না। কিন্তু বয়স ৪০ পেরিয়ে যাওয়ার পর শক্তিবৃদ্ধি, ভারোত্তোলনের মতো ব্যায়ামগুলি রুটিনে যোগ করেছেন অভিনেত্রী। সমাজমাধ্যমের পাতায় কেট্‌লবেল নিয়ে শরীরচর্চা করার ঝলক প্রকাশ করে তাই তিনি লিখেছেন, ‘এক সময়ে ভাবতাম, হাঁটাহাঁটি করাই যথেষ্ট। কিন্তু এখন উইকএন্ডের জন্য গায়ের শক্তি বাড়াচ্ছি ।’

Advertisement

তৃষার বয়স যেন শুধু ক্যালেন্ডারেই ধরা পড়ে। পর্দায় তাঁকে দেখে বোঝার উপায় নেই। তাই তাঁর ফিটনেস নিয়ে অনুরাগীদের মনে নানা প্রশ্ন জাগে। তারই যেন জবাব দিলেন তৃষা। তাঁর ফিট থাকার আসল মন্ত্র শুধু হাঁটা নয়। শক্তিবৃদ্ধিও প্রয়োজন বলে মনে করছেন তিনি। কিন্তু এখানে প্রশ্ন উঠতে পারে, ৪০ পেরোনোর পর কি তবে হাঁটাহাঁটির বদলে বেশি করে অন্যান্য ব্যায়াম করা উচিত? এই বক্তব্যের সঙ্গে সহমত নন ফিজ়িয়োথেরাপিস্ট ও পুষ্টিবিদ অভিজিৎ ভট্টাচার্য।

কোন ধরনের হাঁটায় উপকার মিলবে? ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

অভিজিতের মতে, ৪০-এর পর মহিলাদের জন্য হাঁটা যথেষ্ট নয়, এটা বলে দেওয়া যায় না। ধরা যাক, কারও হার্টের রোগ আছে, বা একটি কিডনি রয়েছে, অথবা হাঁটুতে সমস্যা আছে, কিংবা কার্টিলেজের সমস্যা আছে, তাঁরা যদি এখন জিমে গিয়ে কঠোর কায়িক শ্রম করেন, তা স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক। অর্থাৎ শরীরচর্চার ব্যাপারে একই নিয়ম সকলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

Advertisement

তবে একই সঙ্গে হাঁটাহাঁটিকে ব্যায়াম বা শরীরচর্চার অন্তর্ভুক্ত করতে চান না ফিজ়িয়োথেরাপিস্ট। তিনি বলছেন, ‘‘হাঁটাহাঁটি কিন্তু ব্যায়াম নয়। তাতে কোনও লাভ হয় না। কিন্তু ব্রিস্ক ওয়াকিং শরীরচর্চার আওতায় পড়ে। আর সেটি হল, জোরে হাঁটা। মনে রাখবেন, হাঁটা আর দ্রুত হাঁটা কিন্তু একেবারে ভিন্ন। এটি এক প্রকার অ্যারোবিক অ্যাক্টিভিটি। এখানে আপনি জোরে নিঃশ্বাস নিতে নিতে হাঁটবেন, আপনার হৃৎস্পন্দন বৃদ্ধি পাবে। প্রতি দিন ৩০ মিনিটের এই অভ্যাস হার্টকে শক্তিশালী করে, রক্তচাপ কমায়, ওজন কমাতে সাহায্য করে, মেজাজ ভাল করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। কিন্তু যদি আপনি ধীর লয়ে, গল্প করতে করতে হাঁটেন, তাতে আদপে কোনও লাভ হয় না।’’

ফলে ৪০ পেরিয়ে গেলেই জিমে গিয়ে পরিশ্রম করতে হবে, তার কোনও মানে নেই। বিশেষ করে কোনও রোগ থাকলে, সেই মতো ব্যায়াম করা দরকার। তবে হাঁটাহাঁটি করতে চাইলে, দ্রুত পায়ে হাঁটার অভ্যাস উপকারী হতে পারে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement