Watermelon Rind for Heart

তরমুজের খোসা কি হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য ভাল! কী ভাবে কাজ করে, কেমন করেই বা খাওয়া উচিত?

তরমুজের লাল অংশের নীচে যে সাদা রসালো অংশ এবং তার বাইরে যে সবুজ খোলা থাকে, তা সাধারণত ময়লার ঝুড়িতে স্থান পেলেও আদতে ওটি শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হার্ট-এর ওষুধের মতো কাজ করতে পারে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ০৬ এপ্রিল ২০২৬ ১১:৩৭
Share:

ছবি: সংগৃহীত।

তরমুজের লাল মিষ্টি অংশটুকু সুস্বাদু। গরমে ওই রসালো ফল যেমন শরীরে জলের জোগান দেয়, তেমনই এর পুষ্টিগুণেরও শেষ নেই। কিন্তু লাল রঙের মিষ্টি শাঁস খাওয়ার পরে যে স্বাদহীন অংশটি ফেলে দেওয়া হয়, তাতে কতখানি পুষ্টি থাকতে পারে ভেবে দেখেছেন কি কখনও?

Advertisement

তরমুজের লাল অংশের নীচে যে সাদা রসালো অংশ এবং তার বাইরে যে সবুজ খোলা থাকে, তা সাধারণত ময়লার ঝুড়িতে স্থান পেলেও আদতে ওটি শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হার্ট-এর ওষুধের মতো কাজ করতে পারে। অন্তত তেমনই বলছেন পুষ্টিবিল লিমা মহাজন। তিনি জানাচ্ছেন, তরমুজের খোসা বা সাদা অংশে সিট্রুলাইন নামক এক ধরনের অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে প্রচুর পরিমাণে। হার্টের সুস্বাস্থ্যের জন্য এই উপাদানটি ম্যাজিকের মতো কাজ করে।

১. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ও রক্ত সঞ্চালন

Advertisement

সিট্রুলাইন যখন শরীরে প্রবেশ করে, তখন তা আর্জিনিন নামের এক অতি প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিডে রূপান্তরিত হয়। যা রক্তনালীতে নাইট্রিক অক্সাইড তৈরি করে আর ওই নাইট্রিক অক্সাইড রক্তনালীগুলিকে শিথিল বা প্রসারিত করতে সাহায্য করে। এতে হার্টে রক্ত চলাচলের পথ সহজ হয়। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকলে হার্টের ওপর বাড়তি চাপ কমে যায়।

২. ধমনীর নমনীয়তা রক্ষা

তরমুজের খোসায় থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট ও ফাইবার রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এটি ধমনীর দেয়ালে চর্বি জমতে বাধা দেয়। ফলে স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বহুলাংশে কমিয়ে দেয়।

৩. পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের উৎস

পটাশিয়াম শরীরে সোডিয়াম বা নুনের ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে দেয়। সোডিয়াম রক্তচাপ বাড়ায়, আর পটাশিয়াম প্রস্রাবের মাধ্যমে অতিরিক্ত সোডিয়াম বের করে দিয়ে এবং রক্তনালী শিথিল করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। ম্যাগনেশিয়াম হৃদকোষে পটাশিয়াম পরিবহনে সাহায্য করে, যা হার্টের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয়।

ব্যবহারের উপায়

তরমুজের একদম বাইরের গাঢ় সবুজ অংশটি একটু শক্ত হলেও এর মাঝখানের সাদা অংশটি সহজেই খাওয়া যায়। এটি সব্জি হিসাবে রান্না করে, স্যালাডে কুচি করে বা ফলের রসের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া সম্ভব।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement