নিউমোনিয়া না কেবলই সর্দি-কাশি, চেনার উপায় কী? ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
ঋতু বদল মানেই সর্দিকাশি, জ্বর। তবে এখনকার সময় ব্যাক্টেরিয়া-ভাইরাসদের যা দাপট, তাতে শুধু সর্দিকাশির ভাইরাসই যে ছড়াচ্ছে তা নয়, রীতিমতো জাঁকিয়ে বসছে ইনফ্লুয়েঞ্জা, নিউমোনিয়া। স্ট্রেপ্টোকক্কাস নিউমোনি নামের ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ নিউমোনিয়া রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। তা ছাড়া, ছত্রাকঘটিত কারণেও অনেক সময় নিউমোনিয়া হতে পারে।
নিউমোনিয়া মূলত তিন ধরনের। কমিউনিটি অ্যাকুয়ার্ড নিউমোনিয়া (ক্যাপ), হসপিটাল অ্যাকুয়ার্ড নিউমোনিয়া (হ্যাপ) আর ভেন্টিলেটর অ্যাকুয়ার্ড নিউমোনিয়া (ভ্যাপ)। এর মধ্যে হ্যাপ এবং ভ্যাপে আক্রান্ত হওয়া মানুষের শরীরের দ্রুত অবনতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
সাধারণ সর্দিকাশির সঙ্গে নিউমোনিয়া গুলিয়ে ফেলছেন অনেকে। ফলে সঠিক চিকিৎসা শুরু হতে দেরি। কী ভাবে নিউমোনিয়ার লক্ষণ চিনবেন তা বলে দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।
কী কী লক্ষণ চিনবেন?
১) নিউমোনিয়ার প্রাথমিক লক্ষণ হল জ্বর। তার সঙ্গে কাশি। শুকনো কাশি খুব ভোগাবে।
২) শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিতে পারে। জোরে শ্বাস নেওয়ার সময়ে বুকে ব্যথা হতে পারে।
৩) মাথায় প্রচণ্ড যন্ত্রণা হবে।
৪) খাওয়ার ইচ্ছা চলে যাবে। সারা ক্ষণ বমি বমি ভাব থাকবে। প্রচণ্ড ক্লান্তি, ঝিমুনি ভাব থাকবে।
কাশি না কমলে প্রথমেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে বুকের এক্স-রে করে নিতে হবে। একই সঙ্গে জ্বরের মাত্রা না কমলেও রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করে দেওয়াই শ্রেয়। যে সব মানুষের শরীরে ইতিমধ্যে অন্য রোগ বাসা বেঁধেছে, সেই সব মানুষের শরীরে নিউমোনিয়ার সংক্রমণ দ্রুত হওয়ার একটা আশঙ্কা থেকেই যায়। যেমন ডায়াবিটিস, আর্থ্রাইটিস এবং এইচআইভি পজ়িটিভে আক্রান্ত রোগীদের শরীরে নিউমোনিয়ার ভাইরাস ঢুকলে দ্রুত সংক্রমণের ভয় বেশি থাকে।