Common Weight Loss Mistakes

ভাজাভুজি বাদ, আহার পরিমিত, চিনি যুক্ত পানীয়ের বদলে জল খেয়েও কমছে না মেদ! সমস্যা কী হতে পারে

চিনি ছেড়েছেন। ভাজাভুজি ছুঁয়েও দেখেন না। ঘড়ি ধরে পুষ্টিকর খেয়েও এক মাসে এক ইঞ্চি কমেনি পেট-কোমরের মেদ! ভুল তবে কোথায়?

Advertisement
শেষ আপডেট: ২৪ জুন ২০২৬ ১৬:১৯
Share:

ডায়েট করে ওজন কমানোর কথা বলেন প্রায় সকলেই। কেউ ডায়েটে নজর দেন, কেউ আবার দিনভর শারীরচর্চা, হাঁটাহাটি করেও মেদ গলিয়ে ফেলেন। পুষ্টিবিদ বা ফিটনেস প্রশিক্ষকেরা বলেন, ওজন কমানোর প্রাথমিক শর্তই হল ক্যালোরিতে নজর দেওয়া। দৈনন্দিন যতটা ক্যালোরি দরকার, তার চেয়ে যদি কম ক্যালোরি শরীরে যায় বা বাড়তি ক্যালোরি ব্যায়াম করে ঝরানো যায়, তবে মেদ গলবেই।

Advertisement

কিন্তু তেমনটা কি হয় সব সময়! মেদ কমাতে বাদ দিতে বলা হয় জ়াঙ্ক ফুড, ভাজাভুজি। চিনিযুক্ত পানীয় খেতেও না করেন পুষ্টিবিদ থেকে ফিটনেস প্রশিক্ষকেরা। সেই সব নিয়ম মানার পরেও, পরিমিত খেয়েও যদি ওজন না কমে, ভুল কোথায় থাকতে পারে?

চিকিৎসক থেকে পুষ্টিবিদেরা বলছেন, নেপথ্যে নানা কারণ থাকতে পারে। তার মধ্যে অন্যতম অবশ্যই মানসিক চাপ এবং কম ঘুম। বিষয়টি লঘু মনে হলেও প্রাসঙ্গিক। মানসিক চাপের কারণে যদি নির্ঘুম রাত কাটে কিংবা দিনের পর দিন ঘুম কম হয়, তার প্রভাব পড়ে শরীরে। হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে এতে। একাধিক গবেষণায় প্রকাশ, রাতের দিকে ঘুম কম হলে, ‘খাই খাই’ প্রবণতা দেখা যায়। চকোলেট, মিষ্টি খেয়ে ফেলেন অনেকে। তা ছাড়া, ক্লান্তি, নির্ঘুম রাতের দরুন বিপাকহারও কমতে পারে। বিপাকহারের সঙ্গে ওজন বৃদ্ধির সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।

Advertisement

ওজন কমাতে গেলে কোন ভুল এড়াবেন?

অপর্যাপ্ত ঘুম: কাজের ধরন বদলাচ্ছে। কোনও কোনও পেশায় কাজ শেষ হতে গভীর রাতও হয়ে যায়। পাশাপাশি থাকে কাজের চাপ, নিজেকে প্রমাণ করার তাগিদ। ফলে মানসিক চাপ জীবনের সঙ্গে জুড়ে যায়। মানসিক চাপ এবং কম ঘুম দুই-ই ওজন না কমার কারণ হতে পারে। ফলে দিনের শেষে ঘুমের সময় ঠিক রাখার পাশাপাশি মানসিক চাপ কমাতে প্রাণায়াম, যোগাভ্যাস করা যেতে পারে।

একটানা বসে কাজ: খাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ টানলেও একটানা বসে কাজ, ক্যালোরি খরচের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। চিকিৎসকেরা বলেন, টানা বসে থাকলে কোমর-পিঠে যেমন ব্যথা হতে পারে, তেমনই তা হার্ট, কিডনির পক্ষেও ক্ষতিকর। কাজের ফাঁকে বিরতি নিয়ে একটু হাঁটাহাটি দরকার। এতে রক্ত সঞ্চালন ঠিক থাকে। হজম ভাল হয়।

ফিটনেস প্রশিক্ষকদের মতে, শুধু শারীরচর্চা বা পরিমিত খাদ্যাভ্যাসই মেদ ঝরাতে সাহায্য করে না। এর সঙ্গে জুড়ে থাকে দৈনন্দিন জীবনযাপনের ধরনও। সেগুলিও ঠিক করা জরুরি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement