ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
জ্যোতিষশাস্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাস্তুশাস্ত্র। এই অংশে আমাদের বাড়ির সুস্থতা রক্ষার উদ্দেশ্যে নানা জিনিস মেনে চলার নিদান দেওয়া হয়। বাস্তুশাস্ত্র মতে, বাড়ির কোন অংশে কী রাখা হচ্ছে, না হচ্ছে তার উপর অনেক কিছু নির্ভর করে। যে কোনও বাড়িতে সিঁড়ির অবস্থান অতি গুরুত্বপূর্ণ। এর সঙ্গে সেটির নীচে কী রাখা হচ্ছে সে বিষয়েও খেয়াল রাখা উচিত। সিঁড়ির নীচে ভুল জিনিস রাখার ফলে ভাগ্যের উপর কুপ্রভাব পড়ে। এর ফলে বাস্তুতে নেগেটিভ শক্তির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। সফলতা প্রাপ্তিতে নানা অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। বাস্তুমতে জেনে নিন, সিঁড়ির নীচে কোন জিনিসগুলি রাখা নিষিদ্ধ। বদলে কোন দিকের সিঁড়ির নীচে কী রাখতে পারেন।
সিঁড়ির নীচে কোন জিনিসগুলি রাখা উচিত নয়?
বহু মানুষই সিঁড়ির নীচে জুতো খুলে রাখেন। সিঁড়ির নীচের অংশটি জুতো রাখার জায়গার জন্য ব্যবহার করতে দেখা যায়। কিন্তু বাস্তুশাস্ত্র মতে, এই কাজটি করার মোটেও উচিত নয়। এতে শনিদেবের রোষের মুখে পড়তে হয়। তাই সিঁড়ির নীচে জুতো রাখা যাবে না। এ ছাড়া আবর্জনা, ভাঙা জিনিসপত্র, পুরনো জামাকাপড়, শৌচাগারের অব্যবহৃত, বাতিল করা জিনিস সিঁড়ির নীচে রাখা অনুচিত। অন্যথায় বাস্তুর ক্ষতি হয়। ব্যক্তিগত জীবনে এর প্রভাব পড়তে দেখা যায়। সফলতা প্রাপ্তিতে নানা বাধার সম্মুখীন হতে হয়। কোনও কাজই ঠিকমতো করে ওঠা যায় না।
সিঁড়ির নীচে কোন জিনিসগুলি রাখা যেতে পারে?
উত্তর, পূর্ব এবং উত্তর-পূর্ব দিক: উত্তর-পূর্ব দিককে দেবতাদের দিক মনে করা হয়। এ ছাড়া উত্তর এবং পূর্ব দিককে হালকা জিনিস রাখার জন্য শুভ মনে করা হয়। এই স্থানে গাছপালা, অ্যাকোয়ারিয়াম প্রভৃতি হালকা ওজনের জিনিস রাখা যেতে পারে। ভারী কোনও জিনিস এখানে রাখা যাবে না।
দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিক: দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিকের সিঁড়ির নীচে ভারী জিনিসপত্র রাখায় কোনও বাধা নেই। এই স্থানে গ্যাস সিলিন্ডার, ওয়াশিং মেশিন, জলের পাম্পের মতো ভারী জিনিস রাখা যেতে পারে। এতে কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু জিনিসগুলি অবশ্যই গুছিয়ে রাখতে হবে।
পশ্চিম, উত্তর-পশ্চিম, দক্ষিণ-পশ্চিম: এই তিন দিকের সিঁড়ির নীচের জায়গা মাঝারি ওজনের জিনিস রাখার জন্য উপযুক্ত। ছোট আকৃতির আলমারি, অন্যান্য আসবাব এই স্থানে রাখা যেতে পারে।