কথায় বলে মানুষের
মুখ দেখে তাঁর সম্বন্ধে অনেক কিছু বোঝা বা বলা সম্ভব। জ্যোতিষশাস্ত্রের
গুরুত্বপূর্ণ ন’টি গ্রহই মানুষের মুখের কোনও না কোনও অংশের সঙ্গে সম্পর্কিত। মানুষের মুখের তথা পঞ্চেন্দ্রিয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ নাসিকা বা নাক। মানবশরীরের সমস্ত অঙ্গ যেমন কোনও না কোনও গ্রহের সঙ্গে সম্পর্কিত, নাকও তার
ব্যতিক্রম নয়। নাক বৃহস্পতি গ্রহের সঙ্গে সম্পর্কিত। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, জাতক-জাতিকার নাকের গঠন নির্ভর করে পূর্বজন্মের কর্মফলের
উপর। জন্মপত্রিকায় বৃহস্পতির অবস্থান এবং শুভ ফল দেবে না অশুভ, সেই অনুযায়ী নাকের গঠন
হয়।
নাক দেখে বা নাকের গঠন দেখে কী জানা
যায়?
- যে ব্যক্তির জন্মছকে বৃহস্পতি যত শুভ, তাঁর নাকের গঠন তত সুন্দর হয়।
- জাতক-জাতিকার নাক উঁচু বা টিকোলো উচ্চশিক্ষার
সম্ভাবনা নির্দেশ করে।
- উজ্জ্বল এবং প্রায় অর্ধচন্দ্রাকৃতি
নাকবিশিষ্ট জাতক-জাতিকাগণ উচ্চশিক্ষিত, সহনশীল, পরিমিত এবং সৎ কর্মে ব্যয়ী হন। এই ধরনের জাতক-জাতিকাগণ প্রশাসনিক ক্ষমতা বিশিষ্ট হন। প্রশাসনের উচ্চপদে
পৌঁছোন এবং সফলও হন। এঁরা স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তির অধিকারী হন। এঁদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিভা থাকে।
- যে সমস্ত জাতক-জাতিকার নাক প্রায়
কপালের সঙ্গে মিশে থাকে, তাঁরা বুদ্ধিমান হন। আত্মীয় এবং বন্ধুবান্ধবের প্রিয় এবং
ভালবাসার পাত্র হয়ে থাকেন।
- নিচু বা শরীরের তুলনায় ছোট নাক বিশিষ্ট
জাতক-জাতিকাদের শিক্ষায় নানা বাধা পেরোতে হয়। এঁদের বিশেষ প্রতিভাবান বলা যায় না।
- জাতক-জাতিকার নাক নিচু বা শরীরের তুলনায়
খুবই ছোট হলে চঞ্চলতা জাতক-জাতিকার সমস্যার কারণ হয়। তবে যে কর্মে ক্ষিপ্রতা প্রয়োজন, সেই ধরনের কর্মে এই ধরনের জাতক-জাতিকা সফল হলেও ,সাধারণ জীবন যাপন করতে পছন্দ করেন।
- যাঁদের নাকের ভিতরের অংশ উন্মুক্ত বা বাইরের
বেরোনো, তাঁদের মধ্যে শিক্ষা এবং সংস্কৃতির অভাব দেখা যায় বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র। এঁরা একগুঁয়ে স্বভাবের
এবং এঁদের মধ্যে বিশ্বাসযোগ্যতার
অভাব দেখতে পাওয়া যায়।