—প্রতীকী ছবি।
জ্যোতিষশাস্ত্রে দুধকে চন্দ্রের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করা হয়। মনের শান্তির কারক হিসাবে ধরা হয় দুধকে। দুধকে মা লক্ষ্মীর প্রতীক হিসাবেও গণ্য করে শাস্ত্র। দুধ ছাড়া যে কোনও শুভ কাজ অসম্পূর্ণ থেকে যায়। আবার দুধ মানুষের শরীরে পুষ্টিগুণ বজায় রাখতেও সহায়ক। জ্যোতিষশাস্ত্রে দুধের বেশ কিছু টোটকার কথা বলা হয়েছে যা নিয়মিত করতে পারলে ভাগ্যের উন্নতি হয়। কী কী করতে হবে, জেনে নিন।
টোটকা:
১) সোমবার শোয়ার ঘরের জানলায় পাত্র ভর্তি করে দুধ রেখে ঘুমোতে যান। এতে মানসিক অস্বস্তি দূর হয় এবং ঋণের হাত থেকেও দ্রুত মুক্তি পাওয়া যায়।
২) বাড়ি থেকে নেগেটিভ শক্তি দূর করতে একটা মাটির পাত্রে কিছুটা কাঁচা দুধ নিয়ে যে কোনও গাছের গোড়ায় ঢেলে দিন। বাড়ি শুভ শক্তিতে ভরে উঠবে।
৩) আটকে থাকা কাজ করে ফেলতে রবিবার সকালে একটা পাত্র ভর্তি করে দুধ নিয়ে তার মধ্যে একটা কয়েন দিয়ে গরিব-দুঃখীদের দান করে দিন।
৪) দুধ উথলানো শুভ লক্ষণ বলে মনে করছে জ্যোতিষশাস্ত্র। তবে তা হঠাৎ করে হতে হবে। দুধ যদি কোনও ভাবে বৃহস্পতিবারে উথলে যায়, সেটা আরও শুভ লক্ষণ বলে মানা হয়।
৫) বুধবারে কোনও ভাবে দুধ উথলে পড়া অশুভ লক্ষণ মানা হয়। বুধবারে দুধ পুড়ে গেলে মা লক্ষ্মী খুবই রুষ্ট হন।
৬) ভোরবেলা বা সকালবেলা হাত থেকে দুধ পড়ে যাওয়া খুবই অশুভ লক্ষণ। এতে পরিবারের কোনও কাজে বাধা আসতে পারে বলে মনে করা হয়।
৭) শনিবার সন্ধ্যাবেলা অশ্বত্থ গাছের গোড়ায় দুধ অর্পণ করলে কুনজরের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তবে সন্ধ্যাবেলার পর কখনওই কাউকে দুধ দান করতে নেই। কেউ চাইলেও সন্ধ্যায় দুধ দেওয়া উচিত নয়।