ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
শনিদেবের নাম শুনলেই শঙ্কিত হন বেশির ভাগ মানুষ। সেই শনির পরেই যদি সাড়েসাতি যোগ হয়, তা হলে ভয় এবং চিন্তা, উভয়ই আরও বৃদ্ধি পায়। শনিদেব কর্মফলদাতা গ্রহ। যে যেমন কাজ করেন, শনিদেব তাঁকে তেমন ফলই দান করে থাকেন। শনির সাড়েসাতি যে সর্বদা খারাপ সময় বয়ে আনে তা নয়। অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে শনির সাড়েসাতি দশায় জীবন আগের তুলনায় আরও সুন্দর হয়ে যাচ্ছে। তবে যাঁরা খারাপ ফল পান, তাঁদের ক্ষেত্রে দুঃখের অন্ত থাকে না।
বর্তমানে শনি মীন রাশিতে অবস্থান করছে। বক্রদৃষ্টি দান করছে মেষ এবং কুম্ভকে। ফলত এই তিন রাশির ব্যক্তিরা শনির সাড়েসাতির বিভিন্ন পর্যায়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। এই তিন রাশির সকলেই সমস্যায় না থাকলেও, অনেককেই ভোগ করতে হচ্ছে সাড়েসাতির রূঢ় প্রভাব। ২০২৭-এর মাঝামাঝি সময় শনি রাশি পরিবর্তন করে মেষে প্রবেশ করলে কুম্ভ এবং মীন রাশির জাতক-জাতিকারা শনির সাড়েসাতির প্রভাব থেকে মুক্তি পেতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। তার আগে প্রভাবের মাত্রা কমানোর জন্য জীবনধারায় সুপরিবর্তন আনা অবশ্যই জরুরি। এরই সঙ্গে ১৪৩৩-এর অমাবস্যার দিনগুলি বিশেষ কিছু উপায় পালনের মাধ্যমে শনিদেবকে শান্ত করা যেতে পারে। সেগুলি কী, জেনে নিন।
সাড়েসাতির প্রভাব হ্রাস করার উপায়: