Benefits of Gangajal

গঙ্গাজল কাটাবে ভাগ্যের অমানিশা! পবিত্র এই জল দিয়ে চার উপায় পালন করলেই ধুয়ে যাবে কপালের কালিমা

পুজোর কাজ বা শুভ কাজ বাদে গঙ্গাজলের আরও নানা ব্যবহার রয়েছে। আমাদের ভাগ্য বদলাতে সহায়ক গঙ্গাজল।

Advertisement

বাক্‌সিদ্ধা গার্গী

শেষ আপডেট: ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:১২
Share:

ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।

হিন্দু ধর্মের যে কোনও পুজো গঙ্গাজল ব্যতীত অসম্পূর্ণ। কোনও শুভ কাজও গঙ্গাজল ছাড়া সম্পূর্ণ হয় না। আমাদের ধর্মে গঙ্গাজল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেটি বাড়িতে রাখার ক্ষেত্রেও বিভিন্ন নিয়ম পালনের কথা বলা রয়েছে শাস্ত্রে। মহাদেবের অত্যন্ত প্রিয় জিনিস এই গঙ্গাজল। প্রতি সোমবার শিবলিঙ্গে গঙ্গাজল ঢাললে নানা ক্ষেত্র থেকে উন্নতি পাওয়া যায়। তবে পুজোর কাজ বা শুভ কাজ বাদে গঙ্গাজলের আরও নানা ব্যবহার রয়েছে। আমাদের ভাগ্য বদলাতে সহায়ক গঙ্গাজল। পালন করতে হবে সহজ কিছু টোটকা। সেগুলি কী, জেনে নিন।

Advertisement

গঙ্গাজলের টোটকা:

নেগেটিভ শক্তি: জীবনের নানা সমস্যার নেপথ্যে থাকা অন্যতম কারণ নেগেটিভ শক্তি। প্রতি শনিবার সন্ধ্যাবেলা বাড়ির সর্বত্র ভাল করে গঙ্গাজল ছিটিয়ে দিন। এর ফলে বাড়ি থেকে নেগেটিভ শক্তি দূর হবে। মা লক্ষ্মী প্রসন্ন হবেন। এর ফলে অর্থাভাব কেটে গিয়ে সমৃদ্ধি আসবে।

Advertisement

আর্থিক সঙ্কট: অনেক ক্ষেত্রে আমরা ঋণের জালে জড়িয়ে পড়ি। এর ফলে আর্থিক সঙ্কট যেমন আগের তুলনায় বৃদ্ধি পায় তেমনই মানসিক চাপও সৃষ্টি হয়। একটি পিতলের পাত্র গঙ্গাজল দ্বারা পূর্ণ করে বাড়ির উত্তর-পূর্ব কোণে রেখে দিন। এর ফলে শান্তি লাভ করবেন। অর্থাগমের পথও প্রশস্ত হবে। এর ফলে ধারের টাকা শোধ করে সুখে জীবন কাটাতে পারবেন।

পারিবারিক অশান্তি: সংসারে ঝগড়া-অশান্তি হওয়া কোনও অস্বাভাবিক বিষয় নয়। তবে সেটা অসহনীয় হয়ে ওঠে যখন প্রতি দিন এমনটা হতেই থাকে। এ ক্ষেত্রে প্রতি দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে বাসি ঘর পরিষ্কার করার পর সদর দরজায় গঙ্গাজল ছিটিয়ে দিন। স্নান করে শুদ্ধ বসনে এই কাজ করতে পারলে খুব ভাল হয়। অন্যথায় বাসি জামাকাপড় বদলে নিয়েও এই কাজ করতে পারেন।

Advertisement

উন্নতিতে বাধা: ব্যবসা বা চাকরিতে মনোমতো ফল না পেলে ব্যবসার জায়গায় বা অফিসের ডেস্কে একটা ছোট বোতল বা পাত্রে গঙ্গাজল রেখে দিন। এর ফলে কর্মজীবনে উন্নতি প্রাপ্তিতে সুবিধা হয় বলে মনে করা হয়।

গঙ্গাজল রাখার ক্ষেত্রে কোন উপায়গুলি মানবেন?

  • প্লাস্টিকের বোতল বা পাত্রে গঙ্গাজল রাখা যাবে না।
  • অপরিষ্কার, অন্ধকার জায়গায় গঙ্গাজল রাখা নিষিদ্ধ।
  • এঁটো গায়ে, বাসি জামাকাপড় পরে, আমিষ খাবার খেয়ে গঙ্গাজল স্পর্শ করা অনুচিত।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement